রবিবার ৩০ এপ্রিল, ২০১৭, রাত ১০:৪৫

কালের সাক্ষী হয়ে টিকে থাকা প্রাচীনতম বেদে সম্প্রদায়ের কয়েকটি বেদে পরিবারের যাযাবর জীবনের দুর্বিষহ অবস্থা

April 10, 2017 - 06:07 pm. Hits: 556

প্রাচীনতম বেদে সম্প্রদায়ের যাযাবর জীবনের দুর্বিষহ অবস্থা নিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদীতে কালের সাক্ষী হয়ে টিকে থাকা কয়েকটি বেদে পরিবার।

প্রাচীনতম বেদে সম্প্রদায়ের যাযাবর জীবনের দুর্বিষহ অবস্থা নিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদীতে কালের সাক্ষী হয়ে টিকে থাকা কয়েকটি বেদে পরিবার।

বেদেদের পেশা ছেড়ে অন্য পেশা নিয়ে অনেক কষ্টে টিকে আছে যাযাবর বেদেরা। নৌকা যাদের সহায় সম্বল আর জীবনসঙ্গী, সেই প্রাচীনতম বেদে সম্প্রদায় নাগরিক সব সুযোগ-সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে। নদ-নদী দখল আর পানি শূন্যতার কারণে এসব বেদেদের আর তেমন একটা চোখেই পড়ে না।

বেদেদের পেশা ছেড়ে অন্য পেশা নিয়ে অনেক কষ্টে টিকে আছে যাযাবর বেদেরা। নৌকা যাদের সহায় সম্বল আর জীবনসঙ্গী, সেই প্রাচীনতম বেদে সম্প্রদায় নাগরিক সব সুযোগ-সুবিধা থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে। নদ-নদী দখল আর পানি শূন্যতার কারণে এসব বেদেদের আর তেমন একটা চোখেই পড়ে না।

বেদেদের যেহেতু বসবাসের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। তাই রোদ-বৃষ্টি আর প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে পলিথিন কাগজে তৈরি এক একটি খুঁপরি ঘর অথবা এমন নৌকার ছাউনিতেই কোন রকম পরিবারের ৭/৮ জন সদস্য নিয়ে এক সঙ্গেই থাকেন। বর্ষা মৌসুমে তাদের ভোগান্তির শেষ

বেদেদের যেহেতু বসবাসের কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। তাই রোদ-বৃষ্টি আর প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে পলিথিন কাগজে তৈরি এক একটি খুঁপরি ঘর অথবা এমন নৌকার ছাউনিতেই কোন রকম পরিবারের ৭/৮ জন সদস্য নিয়ে এক সঙ্গেই থাকেন। বর্ষা মৌসুমে তাদের ভোগান্তির শেষ

বেদেরা দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। বেদেদের জীবনে স্থায়ী বাড়ি, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ব খাবার পানি, বিদ্যুৎ সুবিধাতো একেবারেই নেই। তাইতো এভাবেই বেঁচে থাকার চেষ্টা চালায় অনবরত।

বেদেরা দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। বেদেদের জীবনে স্থায়ী বাড়ি, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ব খাবার পানি, বিদ্যুৎ সুবিধাতো একেবারেই নেই। তাইতো এভাবেই বেঁচে থাকার চেষ্টা চালায় অনবরত।

পেশার পরিবর্তন করায় বাড়ি বাড়ি যেয়ে সাপ ও বানরের খেলা, রসের বাইদানি দ্বারা মানুষের শরীরের বিষ রক্ত নামাতে সিঙ্গা লাগানোর দৃশ্যসহ বেদে সম্প্রদায়ের লোকদের বিভিন্ন তন্ত্র-মন্ত্রের জপ এখন আর কোথাও বাজেনা।

পেশার পরিবর্তন করায় বাড়ি বাড়ি যেয়ে সাপ ও বানরের খেলা, রসের বাইদানি দ্বারা মানুষের শরীরের বিষ রক্ত নামাতে সিঙ্গা লাগানোর দৃশ্যসহ বেদে সম্প্রদায়ের লোকদের বিভিন্ন তন্ত্র-মন্ত্রের জপ এখন আর কোথাও বাজেনা।

তাবিজ-কবজ বিক্রি, সাপ খেলা দেখানো, শিংগা ফুকা কিংবা চুড়ি, লেইস ফিতা ও সিরামিক তৈজসপত্র নিয়ে দেশের নানা প্রান্ত চষে বেড়ানোই ছিল তাদের পেশা। আর বিচিত্র এসব পেশা অবলম্বন করে অনেকটা যাযাবর জীবন কাটায় এই সম্প্রদায়ের লোকজন। এখন মানুষ আর এসব না দেখায় তাদের

তাবিজ-কবজ বিক্রি, সাপ খেলা দেখানো, শিংগা ফুকা কিংবা চুড়ি, লেইস ফিতা ও সিরামিক তৈজসপত্র নিয়ে দেশের নানা প্রান্ত চষে বেড়ানোই ছিল তাদের পেশা। আর বিচিত্র এসব পেশা অবলম্বন করে অনেকটা যাযাবর জীবন কাটায় এই সম্প্রদায়ের লোকজন। এখন মানুষ আর এসব না দেখায় তাদের

 বেদেরা সংসার চালাতো উপার্জনে। মহিলাদের সঙ্গে পুরুষরাও অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করছেন অনেক। পুরুষরা সাপ ধরা, সাপের খেলা, বানরের খেলা দেখিয়ে রোজগার করতো। এইতো ক'বছর আগেও। কিন্তু এখন আর মানুষ এসব দেখতে চায় না। তাই রোজগারে ভাটা পড়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়।

বেদেরা সংসার চালাতো উপার্জনে। মহিলাদের সঙ্গে পুরুষরাও অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করছেন অনেক। পুরুষরা সাপ ধরা, সাপের খেলা, বানরের খেলা দেখিয়ে রোজগার করতো। এইতো ক'বছর আগেও। কিন্তু এখন আর মানুষ এসব দেখতে চায় না। তাই রোজগারে ভাটা পড়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়।

যাযাবর জীবনের দুর্বিষহ এমন সময়েও দুই বেদে সম্প্রদায়ের শিশুর মুখে দেখা গেল এমনই প্রাণোচ্ছ্বল হাসি। কেননা ওরা এখনও বোঝে না তাদের জবিকা নির্বাহ করা এখন কত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।

যাযাবর জীবনের দুর্বিষহ এমন সময়েও দুই বেদে সম্প্রদায়ের শিশুর মুখে দেখা গেল এমনই প্রাণোচ্ছ্বল হাসি। কেননা ওরা এখনও বোঝে না তাদের জবিকা নির্বাহ করা এখন কত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।