বুধবার ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ১১:৫৬

ঝিনাইদহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

Published : 2017-05-31 23:19:00

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: কোটচাঁদপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাইদুল ইসলাম ওরফে রানা (৪৭) ও আলিমুদ্দীন (৫৮) নামে দুই চরমপন্থী সদস্য নিহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে কোটচাঁদপুরের বহরমপুর গ্রামের নাগরতলা নামক স্থানে এই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। এ সময় র্যাবের তিন সদস্য হাবিলদার মহসিন আলী, কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ আহত হন। পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) জনযুদ্ধের আঞ্চলিত নেতা নিহত মাইদুল ইসলাম রানা কোটচাঁদপুরের বকশিপুর গ্রামের ফকির চাঁদ মণ্ডলের ছেলে।
অন্যদিকে আলিমুদ্দিন একই উপজেলার বহরমপুর গ্রামের সলেমান মণ্ডলের ছেলে।
ঝিনাইদহ র্যাব-৬-এর অধিনায়ক মেজর মনির আহম্মেদ জানান, রাত ১২টার দিকে র্যাবের টহল দল কোটচাঁদপুরের কুশনা ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে পৌঁছলে সন্ত্রাসীরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধে মাহিদুল ইসলাম ওরফে রানা ও আলিমুদ্দীন গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে র্যাব দুটি বিদেশি একনলা বন্দুক, একটি নাইন এমএম পিস্তল, ১৫ রাউন্ড গুলি, একটি হাঁসুয়া ও দুটি মোবাইল সেট উদ্ধার করে।
কোটচাঁদপুরের ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, রাতে গুলির শব্দ পেয়ে পুলিশ কোটচাঁদপুর হাসপাতালে গিয়ে দু’জনের গুলিবিদ্ধ লাশ দেখতে পায়।
উল্লেখ্য, নিহত মাইদুল ইসলাম রানা জনযুদ্ধের প্রধান ‘দাদা তপনের কাছের লোক’ বলে পরিচিত ছিল। পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির একচেটিয়া দাপটের সময় রানা ছিল মূর্তিমান আতঙ্ক। ১৯৯৫ সালে ঝিনাইদহ শহরের বেপারীপাড়া থেকে সন্ত্রাসী রানা একে-৪৭ রাইফেলসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে আবারও অন্ধকার জগতে ফিরে যায়।

 

আরও খবর