মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ১২:১১

সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক: যশোরে কর্মসংস্থান হবে ২০ হাজার মানুষের

Published : 2017-05-03 23:23:00, Updated : 2017-05-04 09:42:33
রাহুল রায়, যশোর: যশোরে ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের’ নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পার্কে দেশি-বিদেশি অর্ধশত আইটি কোম্পানি তাদের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এই পার্কটি এখন প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায়। আইটি সেক্টরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গেটওয়ে এই পার্কটি চালু হলে প্রায় ২০ হাজার আইটি প্রফেশনাল তরুণ-তরুণীর কাজের সুযোগ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল যশোর শহরের নাজির শংকরপুরে ১৩ একর জমির ওপর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পার্কে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ল্যাব, অফিস ও আইটি সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। এটিই দেশের প্রথম আইটি পার্ক, যেটি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতের বেঙ্গালুরু ও আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পার্কে ৩টি জাপানি কোম্পানিসহ ১৩টি বিদেশি আইটি কোম্পানিকে তাদের দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরও ২৪টি কোম্পানিকে তাদের বরাদ্দ বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রজেক্ট ইনচার্জ আবদুল্লাহ-আল-মামুন সকালের খবরকে জানান, এরই মধ্যে আইটি পার্কে কল সেন্টারে কাজ করার জন্য কিছু তরুণ-তরুণীকে
প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে যোগ্যতা সম্পন্নদের বাছাই করে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
মামুন আরও জানান, পার্কের সব কাজ শেষ পর্যায়ে। এটি চালু হলে আইটি খাতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
এদিকে, এই টেকনোলজি পার্ককে ঘিরে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছেন এ এলাকার তরুণ-তরুণীরা। আশাবাদী সচেতন মহলও। তারা বলছেন, এই পার্ক এ অঞ্চলের অর্থনীতি অনেকাংশে বদলে দেবে। সম্ভাবনাময় এই প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত চালু করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
যশোর মুসলিম এইড একাডেমির অধ্যক্ষ ও আইটি বিশেষজ্ঞ আরিফ নূর সকালের খবরকে বলেন, যারা আইটিনির্ভর জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন তাদের জন্য শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্বপ্নের দুয়ার খুলে দিতে পারে। এই পার্ককে কেন্দ্র করে তরুণ-তরুণীরা তাদের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবে।
আইটি পার্কে থাকছে, ১৫তলা বিশিষ্ট মাল্টি ট্যালেন্ট ভবন, ১২তলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন, আধুনিক বেজমেন্ট সুবিধা সংবলিত মাল্টিপারপাস ভবন, ৩৩ কেভিএ সাব-স্টেশন, ওয়াইফাই, ভিডিও কনফারেন্স, ডিজেস্টার রিকভারি ডাটা সেন্টার, জিম, ওয়াকওয়ে, ওয়াটারবডি, গ্রিন জোনসহ অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা।