বুধবার ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ০১:৩৬
ব্রেকিং নিউজ

■  ভিসির কার্যালয়ে গেট ভাঙ্গার বিচার হবে: কাদের ■  জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যার মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার ■  সেনাপ্রধানের বাবা শরিফুল হকের ইন্তেকাল ■  ভেনেজুয়েলায় আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা ■  কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে : প্রধানমন্ত্রী ■  বেসরকারি শিক্ষকদের দ্বিতীয় দিনের মত ক্লাস বর্জন ■  ঢাবি উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ■  লিবিয়ার বেনগাজিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ২৭ ■  জুবায়ের হত্যা মামলা : হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু ■  জীবননগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত ■  বরগুনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

এফবিআই এবং রাশিয়ার কারণে নির্বাচনে পরাজিত হিলারি

Published : 2017-05-03 14:08:00, Updated : 2017-05-03 14:15:36

অনলাইন ডেস্ক : ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পর হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে আলোচনা এখনো থামেনি। এবার হিলারি ক্লিনটন নির্বাচনে পরাজয় নিয়ে খোলামেলাভাবে কথা বলছেন। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড সামিটের এক অনুষ্ঠানে হিলারি বলেছেন, নির্বাচনের প্রচারাভিযান নিয়ে একটি বই লিখছেন তিনি। বইটিতে হিলারি নির্বাচনে তার পরাজয়ের কারণ চিহ্নিত করার জন্য ব্যাপক গবেষণা করেছেন।

তিনি বলেন নির্বাচনী প্রচারাভিযানে চ্যালেঞ্জ, সমস্যা এবং ঘাটতি ছিল। তবে হিলারি নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য তৎকালীন এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দায়ী বলে মনে করেন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে জয়ের একবারে কাছেই ছিলেন। তবে ২৮ অক্টোবরের এফবিআই পরিচালকের চিঠি এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছিলো।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর এফবিআই পরিচালক মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ইমেইলের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এর ফলে তার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ ১০ দিনে সব কিছু পাল্টে যায়। হিলারি প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রার্থী হিসেবে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়াই করেছেন। এটি তার পরাজয়ের জন্য একটি বড় কারণ হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। হিলারি বলেন, "এটা সত্যি। নারীদের প্রতি বৈষম্য রাজনীতি, সমাজ এবং অর্থনীতির একটি অংশ।"

ওই অনুষ্ঠানে হিলারি ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করেন। উত্তর কোরিয়ার মিসাইল এবং পারমানবিক কার্যক্রম বন্ধের জন্য একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা দরকার বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে হিলারি বলেন, "কোন এক সকালে শুধু টুইটারে বার্তা লিখে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে না।" হিলারি ক্লিনটন বলেন তিনি এখন একজন সক্রিয় মার্কিন নাগরিক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং ট্রাম্পের যেসব 'ভুল নীতি' রয়েছে সেগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলবেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা, সিএনএন