বুধবার ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮, সন্ধ্যা ০৭:০৬

ধাপ মেনে শরীর ঠিক

ফিটনেস

Published : 2017-04-25 13:01:00
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। জীবনকে সফল ও উপভোগ্য করতে এবং সর্বোপরি কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেতে আপনাকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হল সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ থাকা অতীব জরুরি। এসব বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের ফিটনেস

ফিটনেস ডেস্ক:এই পৃথিবীতে সুখ জিনিসটা বড্ড বেশি আপেক্ষিক। এমনকি ‘স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল’ বাক্যটি যারা দীর্ঘদিন থেকে আউড়ে যাচ্ছেন তাদের জন্য স্বাস্থ্য কম আপেক্ষিক কোনো বিষয় নয়।  এরই মাঝে এক দল আছে যাদের বেজায় দুশ্চিন্তা তাদের রোগাপাতলা শরীরটি নিয়ে। অন্যদিকে আরেক দলের তো নাওয়া-খাওয়াই হারাম হয়ে যাচ্ছে তাদের অকারণ মুটিয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজতে খুঁজতে।
পত্রিকার পাতা থেকে বিশেষজ্ঞের চেম্বার-সঠিক ফিটনেসের জন্য সবার আগে চাই এই জানা বিষয়গুলো খানিকটা মানার অভ্যাস গড়ে তোলা। আর কী জানবেন কিংবা কী মানবেন সেটি এ বেলা আরও একবার বুঝিয়ে দেওয়ার জন্যই নতুন করে পুরনো কিছু মনে করিয়ে দেওয়া। তবে এ রুটিনে চোখ বোলানোর আগে আরও একবার সতর্কবাণী-রুটিন পড়ে তা মানবার অভ্যাসটা কিন্তু গড়ে তুলতে হবে নিজ দায়িত্বেই।

পাঁচ ধাপে ফিটনেস
প্রায় সবারই ফিট হওয়ার একটা গোপন ইচ্ছা তাদের মনে আছে। এবার এই ইচ্ছাটাকে সত্যিকার অর্থে বাস্তবে রূপ দিতে চাইলে প্রথমেই ঝটপট একটু পরামর্শ সেরে ফেলুন একজন পুষ্টি বিশেষজ্ঞ বা এ সংক্রান্ত সঠিক জ্ঞান আছে এমন কারও সঙ্গে। এবার এই সমঝদার লোকটিকে নিয়ে আপনার ওজন আর উচ্চতা অনুযায়ী তৈরি করে ফেলুন একটি ডায়েট চার্ট।
প্রায়ই লক্ষ করা যায়, নিজের উচ্চতা আর ওজনের প্রতি খেয়াল না রেখে আমরা গড়পড়তা যে খাদ্য ও ব্যায়াম অনুসরণ করি তা আদতে খুব একটা কাজে আসে না। আর তাই ডায়েট চার্ট, অর্থাত্ সারাদিনে কী খাবেন বা কতটুকু ব্যায়াম করবেন সেটি ঠিক করার সময় উচ্চতা ও ওজনের বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখবেন।
এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় যদি পুষ্টি বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে প্রতিদিন কী খাবেন এবং কী ধরনের ব্যায়াম করবেন তার একটা রুটিন বানিয়ে নিতে পারেন। রুটিন বানানোর পর এই রুটিন অনুযায়ী সবকিছু ঠিকমতো এগুচ্ছে কিনা সেটি আলাদা একটি খাতায় নোট করে এক ধরনের ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’ গড়ে তোলার চেষ্টা করুন।
ফিটনেস রুটিনের এই প্রথম ধাপটি সঠিকভাবে অনুসরণ করা সম্ভব হলে পা দিন দ্বিতীয় ধাপে। এ ধাপে আপনার করণীয় হল ঘুম থেকে উঠে খাটে শুয়েই ১০ মিনিট হাত-পা টান করে গভীর শ্বাস নেওয়া এবং কমপক্ষে ৩০ মিনিট খোলা জায়গায় সাধারণের চেয়ে দ্রুতগতিতে হাঁটা।
ফিটনেসের তৃতীয় ধাপ হল দ্বিতীয় ধাপের এক্সারসাইজের সঙ্গে বাড়তি ১০ মিনিট যোগ করে ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ বা ৫-১০ বার উঠাবসা করা। সেই সঙ্গে অফিসে কাজের ফাঁকে খানিকটা হাঁটাচলার অভ্যাসও গড়ে তুলুন এই তৃতীয় ধাপেই।
ফিটনেসের চতুর্থ এবং পঞ্চম ধাপে খাওয়ার মান ও পরিমাণ ঠিক রেখে আপনাকে নজর দিতে হবে রাতের অবসর ও ছুটির সময়ের দিকে। এক্ষেত্রে চতুর্থ ধাপ হিসেবে রাতের খাবারের পর ১৫ মিনিট স্বাভাবিক গতিতে হাঁটা বা পায়চারি করার অভ্যাস রপ্ত করুন।
আর এই ধারার ফিটনেসের সর্বশেষ ধাপ হিসেবে ছুটির দিনে শক্তি ক্ষয় হয় এমন কোনো কাজে নিজেকে নিয়োজিত করুন। এটা হতে পারে বাড়ির অতি প্রয়োজনীয় কোনো কাজ কিংবা কোনো ধরনের ঘাম ঝড়ানো খেলা। তবে এতসব করে শরীর থেকে যে শক্তি ক্ষয় হবে তা পুষিয়ে নিতে রোগা এবং মোটা দুই দলকেই খেতে হবে ডায়েট চার্টের কথা মাথায় রেখেই।