বুধবার ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮, রাত ০৯:০১

জাতীয় নির্বাচন : মাঠ পর্যায়ে জরিপ করছে আ.লীগ-বিএনপি

Published : 2017-04-13 09:23:00

অনলাইন প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে। বিএনপি সরাসরি না নামলেও নির্বাচনমূখী পরিকল্পনা নিয়েই এগুচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে প্রার্থী বাছাইয়ে কাজ করছে তারা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সাড়ে তিন হাজারেরও অধিক প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এরমধ্যে চার শতাধিক শিক্ষিত তরুণ রয়েছেন। তাদের অর্ধেকই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাই করে মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ। আর জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাই করতে তিন স্তরের সাংগঠনিক জরিপ চলছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে না। এ কারণে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন দলের নীতি নির্ধারকরা।

২০১৮ সালের মার্চ অথবা ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন করার কথা ভাবছে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে। সংবিধান মোতাবেক ২০১৮ সালের শেষদিকেই নির্বাচন হওয়ার কথা। জয়-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশ মাথায় রেখেই একাদশ জাতীয় নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিএনপি দলীয় সূত্রমতে, এরই মধ্যে সংসদীয় ৩শ’ আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থী খোঁজা শুরু করেছে বিএনপি। বিশেষ করে ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে যারা নির্বাচন করতে আগ্রহী তাদের সঙ্গে কথা বলেছে দলের হাইকমান্ড।এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর বিএনপির কয়েকজন হাইপ্রোফাইল নেতাকে নির্বাচনী এলাকা ঠিক করে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।  নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত, গণসংযোগ, সাংগঠনিক সভা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে নির্বাচনের আওয়াজ ছড়িয়ে দিতে।ইশতেহার প্রণয়নে গেল প্রায় ১০ বছরের সার্বিক রাজনীতি, দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সরকারের অপশাসনের বিষয় ফোকাস করা হচ্ছে। এছাড়া ভিশন ২০৩০ নামে একটি লক্ষ্য নির্ধারণও করা হয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সেলের তত্ত্বাবধানে এখন মাঠ জরিপ চলছে। এই জরিপে আগামী নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।বিশেষ করে ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির যেসব এমপি প্রার্থী ছিলেন তারা এবারও থাকছেন মূল আলোচনায়।জরিপে দলের প্রতি নেতাদের ত্যাগ, আদর্শের প্রতি কমিটমেন্ট, গত আন্দোলনে ভূমিকা এবং এলাকার সাধারণ মানুষসহ দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।