শনিবার ২০ জানুয়ারি, ২০১৮, ভোর ০৫:৪১

হাওরে ফসল ডুবির ঘটনায় দেশে খাদ্য ঘাটতি হবে না: ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

Published : 2017-04-11 23:10:00
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: অকাল বন্যায় হাওরে ফসল ডুবির দুর্যোগ ক্ষণিকের এবং এতে দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এমপি। মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দ্রুত এ দুর্যোগ কাটিয়ে উঠব এবং হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধগুলো মেরামতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গতকাল বিকেলে কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইন ও ইটনায় আগাম বন্যায় বোরো ফসল ডুবে যাওয়া দুর্গত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
রাষ্ট্রপতির ছেলে ও স্থানীয় এমপি হাওরে ফসল ডুবি এলাকাকে দুর্গত এলাকা হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান। এর জবাবে মন্ত্রী বলেন, কিশোরগঞ্জের হাওরে তিনটি উপজেলায় বোরো ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে দুর্গত এলাকা হিসেবে ঘোষণার মতো কিছু হয়নি। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যের মজুদ আছে। তাই এলাকায় খাদ্য সঙ্কট দেখা দেওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানান তিনি।
এর আগে মিঠামইন উপজেলার আতপাশা আ. গণি ভূয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করেন।
হাওরে আগাম বন্যায় ফসল ডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামীবার ফসল ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়া জানান, এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২৫০ টন চাল ও নগদ ১৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির ছেলে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপি রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিক, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান, মিঠামইন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সাহিদ ভূঁইয়া, ইটনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।