মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারি, ২০১৮, সকাল ১০:১৪

সিরিয়ায় বিমান হামলা উত্তর কোরিয়াকে শিক্ষা দেবার জন্য

Published : 2017-04-10 15:04:00, Updated : 2017-04-10 15:11:40
যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় বিমান হামলার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া সহ বেশ কয়েকটি দেশকে বার্তা দিয়েছে। এর অর্থ হলো কেউ আর এক পা এগোলেই এমন ব্যবস্থাই নেবে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন সিরিয়ায় বিমান হামলা পক্ষে এমনই মন্তব্য করেছেন।

কোরিয়ার উপদ্বীপ অভিমুখে রওনা হয়েছে মার্কিন নৌবহর। এর প্রেক্ষিতে টিলারসন জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কার্যক্রমের সমুচিত জবাব দেওয়া জরুরি সে বিষয়ে চীনও একমত। গত সপ্তাহে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সাথে আলোচনা করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসির 'দিস উইক' অনুষ্ঠানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টিলারসন বলেছেন, "যে কোনো দেশ আন্তর্জাতিক নিয়ম ভাঙলেই এমন জবাব দেওয়া হবে। সিরিয়ায় মার্কিন এয়ার-স্ট্রাইক থেকে সব দেশের শিক্ষা নেওয়া উচিত।" তিনি আরো বলেন, "যদি কোনো দেশ অন্য দেশের জন্য আতঙ্কের বিষয় হয়ে ওঠে এবং প্রতিশ্রুতি বজায় না রাখতে পারে তাহলে এরকম ব্যবস্থাই নেওয়া হবে। কোরীয় উপদ্বীপকে পারমানবিক অস্ত্র মুক্ত করে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য।"

একের পর এক উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন আগেই বিশাল মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর একটি স্ট্রাইক গ্রুপ কোরীয় উপদ্বীপের কাছাকাছি পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। এর ফলে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ড বলেছেন 'কার্ল ভিনসন স্ট্রাইক গ্রুপ' শনিবার (৮ এপ্রিল) যাত্রা শুরু করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, "উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধবাজ মনোভাবের কারণে সেখানে আমাদের উপস্থিতি বাড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করছে ট্রাম্প প্রশাসন।" অপরদিকে মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ডের একজন মুখপাত্র ডাভি বেনহাম বলেছেন, "উত্তর কোরিয়ার বেপরোয়া এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং পারমানবিক ক্ষমতা অর্জনের আকাঙ্খার কারণে কোরীয় উপদ্বীপে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে বড় ধরনের হুমকি স্বরূপ।" পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্ট্রাইক গ্রুপ প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে।