বুধবার ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮, রাত ০৮:৫৯

আইএস দমনে কুয়েতে এক হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Published : 0000-00-00 00:00:00
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ইসলামিক জঙ্গী সংগঠন আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ১০০০ মার্কিন সেনার একটি দল কুয়েত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিরিয়া এবং ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে মার্কিন সেনার এ বহর সংরক্ষিত থাকবে। নতুন সেনা এই সেনাদল বিকল্প ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত থাকার ফলে আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন কমান্ডাররা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগটি কাজে লাগাতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেনা পাঠানোর এ সিদ্ধান্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসনের কুয়েতে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন।    নাম না জানানোর শর্তে একজন উর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, " এটা হলো বিকল্প উপায় তৈরি রাখা। বর্তমানে যেসব সেনা কুয়েতে অবস্থান করছে তার চেয়ে এই প্রক্রিয়াটি ভিন্ন।" তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস এই সিদ্ধান্তের পক্ষে আছেন কিনা সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। কেননা তিনি সেখানে অবস্থানরত কমান্ডারদের বিকল্প আরো অনেক উপাদান দিতে পারেন আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে। পেন্টাগনের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জেফ ডেভিসও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ওবামা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তারা ছোট থেকে ছোট বিষয়ে জবাবদিহিতা চাইতো। এমনকি তারা সেনা মোতায়েনের বিষয়েও সীমাবদ্ধতা তৈরি করতো। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন করে সেনা সংরক্ষণের এই সিদ্ধান্তের পর সংরক্ষিত মার্কিন সেনা ব্যবহারে আর কোনো সীমাবদ্ধতা রইলো না। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার মধ্যে আইএস নির্মূল করা অন্যতম। মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে নতুন সেনা পাঠানোর ফলে সিরিয়াতে মার্কিন সেনাবাহিনীর সংখ্যাও বৃদ্ধি করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত আরব এবং কুর্দিশ বাহিনীর আক্রমণের ফলে আইএসের তথাকথিত রাজধানী 'রাক্কা' এরই মধ্যে জনসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সূত্র: রয়টার্স