রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, রাত ১২:০১

ঘুষের বিনিময়ে বিতর্কিত রায় দিয়েছিলেন মালদ্বীপের বিচারপতিরা

Published : 2018-02-08 15:49:00

অনলাইন ডেস্ক : মালদ্বীপে ঐতিহাসিক এক আদেশ প্রদানকে কেন্দ্র করে আটক হওয়া সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ এনেছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান আব্দুল্লাহ নওয়াজ।

তিনি দাবি করেছেন, লাখ লাখ ডলার ঘুষ নিয়ে কারাবন্দি সরকারবিরোধী রাজনীতিবিদদের মুক্তির আদেশ দিয়েছিলেন ওই দুই বিচারপতি। এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে প্রমাণ আছে বলেও দাবি করেন নওয়াজ।

সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি ঐতিহাসিক আদেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম মুয়াজ আলি  জানান, সংবিধানের ২৫৩ অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ১৫ দিনের জন্য দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট।

রাষ্ট্রপ্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নির্বাহী ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা ছিল। জরুরি অবস্থা জারির পর মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত আইনে কঠোরতা আনা হয়।প্রধান বিচারপতি আব্দুল্লাহ সাঈদ ও বিচারপতি আলি হামিদকে গ্রেফতার করা হয়।

মালদ্বীপের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) অভিযোগ করেন, প্রধান বিচারপতি আব্দুল্লাহ সাঈদ এবং বিচারপতি আলি হামিদ ওই রায় প্রদানের বিনিময়ে বিরোধী রাজনীতিকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন। ঘুষ আদান-প্রদানের প্রমাণ পুলিশের কাছে আছে বলেও দাবি করেন তিনি।

নওয়াজ দাবি করেন, গ্রেফতারকৃত  জুডিশিয়্যাল কমিশনের প্রশাসক হাসান সাঈদের 'বিছানার নিচ থেকে নগদ টাকা' পেয়েছে পুলিশ। ঘুষ হিসেবে পাওয়া অর্থগুলো থেকে আবার অন্য বিচারপতিদের ঘুষ দিয়ে তিনি বিচার কার্যক্রমকে প্রভাবিত করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন নওয়াজ। সূত্র: এপি