মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, বিকাল ০৩:৫০

ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি যুবক নিহত

Published : 2018-02-07 11:17:00

অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনের নাবলুস শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এক ফিলিস্তিনি যুবক নিহত হয়েছেন। বুকে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) আল নাজাহ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে পশ্চিমতীরের জেনিন শহরে আরেক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার করার জন্য ইসরায়েলি বাহিনী শহরটিতে প্রবেশ করলে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে আরও প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে ৬ ফিলিস্তিনির অবস্থা সংকটাপন্ন। এদের মধ্যে একজনের শরীরের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। আরেকজনের উরুতে গুলি করা হয়েছে। আর নিহত যুবকের নাম খালিদ ওয়ালিদ তায়েহ (২২)।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে নাবলুস শহরে ছুরিকাঘাতে এক দখলদারী ইহুদির মৃত্যু হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারের জন্যই ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালিয়েছে বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে। অভিযানের সময় ফিলিস্তিনিরা শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। তারা স্থানীয় হুয়াওয়ারা তল্লাশি চৌকি বন্ধ করে দেয়। সে সময় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের উপর হামলা চালায়।

এদিকে পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে গ্রেফতার অভিযান চালানোর সময় আহমেদ জারার নামে আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েল। ওই যুবকের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে একজন ইহুদি দখলদারীকে হত্যার অভিযোগ এনেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। আহমেদ জারার এরপর থেকে পলাতক ছিলেন বলে দাবি করেছে তারা।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খুব শিগগিরই মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। তার এই সিদ্ধান্তে সারাবিশ্বে নিন্দার ঝড় ওঠে।

ঘোষণার পরপরই ফিলিস্তিনজুড়ে রাস্তায় নেমে আসেন মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিরা। বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলে পড়ে ইসরায়েলি বাহিনী। হতাহত হন বহু বিক্ষোভকারী। তারপরও দমে যাননি মুক্তিকামী মানুষেরা। প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন তারা। সূত্র: আল-জাজিরা