শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, রাত ০২:১৬

লালমনিরহাটে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা, চরম উৎকন্ঠায় ১৬ শিক্ষার্থী

Published : 2018-02-06 16:33:00, Updated : 2018-02-06 16:38:39
অনলাইন ডেস্ক: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে অবহেলার কারণে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৬ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার নছর উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়য়ের ০৯ জন চাপারহাটসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ০৭ জন রয়েছেন। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অভিযোগ, গত ১ ফেব্রুয়ারী বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষা শুরু হলে ওই ১৬ জন শিক্ষার্থীকে ২০১৬ সালের (অনিয়মিত) সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। তাৎক্ষণিক শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কক্ষ পরিদর্শক বিষয়টি অবহিত করলে তারা কেন্দ্র সচিবকে বিষয়ে অবহিত করেন। কিন্তু কেন্দ্র সচিব বিষয়টি আমলে না নিয়ে শিক্ষার্থীদের ধমক দিয়ে সবরাহকৃত প্রশপত্রে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেন। 

একই ভাবে বাংলা ২য় পত্রের পরীক্ষাও ২০১৬ সালের (অনিয়মিত) সিলেবাস অনুযায়ী নেয়া হয়। কিন্তু ৪ ফেব্রুয়ারী শারীরীক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা ও ৫ ফেব্রুয়ারী ইংরেজী ১ম পত্রের পরীক্ষা ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী নেয়া হয়। ফলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা খারাপ হওয়ার পাশাপাশি ফলাফল নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে একজন শিক্ষক জানান, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডর সার্কুলার অনুযায়ী যারা ২০১৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণ করেননি তারা ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক হলে ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে হবে। সে অনুয়ায়ী ওই সব শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে আসছে। কিন্তু তুষভান্ডার আর এম এম পি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব নলিনী কান্ত রায় বোর্ডের নিয়ম তোয়াক্কা না করে ওই সব শিক্ষার্থীদের দুইটি পরীক্ষা ২০১৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী নেয়া হয়।

তুষভান্ডার নছরউদ্দিন সরকারী উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক বহুলুল ইসলাম জানায়, আমার ০৯ জন শিক্ষার্থী ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পড়ালেখা করে আসছে। এখন ২০১৬ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ায় পরীক্ষার ফলাফল ভাল হবেনা। এতে বিদ্যালয়ের পাশের হার কমে যাবে অপরদিকে ওই শিকক্ষার্থীদের একটি বছর শিক্ষা জীবন থেকে ঝড়ে পড়বে। এর দায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিব এড়াতে পারেন না।

এ ব্যাপারে তুষভান্ডার আর এম এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব নলিনী কান্ত বায় বলেন, আমি পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র নেয়ার জন্য থানায় যাই না। আমার প্রতিনিধি যান। ওই দিনের পরীক্ষার দায়িত্বরত পরিদ্রষ্ঠা ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরাই দায়ি। এ বিয়য়ে কেন্দ্র সটিবকে প্রশ্ন আনার ব্যাপারে তার সংশ্লিষ্ট থাকা প্রয়োজন কিনা প্রশ্ন করলে তিনি অসুস্থ তাই প্রতিনিধি দিয়ে প্রশ্নপত্র থানা থেকে আনার ব্যবস্থা করেন। এ জন্য তিনি ৪ জন পরিদ্রষ্ঠাকে বহিস্কার করেছেন।