রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, সকাল ০৯:০৭

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন না

Published : 2018-02-01 10:26:00, Updated : 2018-02-01 10:38:38

অনলাইন ডেস্ক : থেরেসা মে  জানিয়েছেন, ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া থাকা অবস্থায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন না। কনজারভেটিভ পার্টিতে তার অবস্থান নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই বুধবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি এ কথা বললেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "আমি থেমে যাওয়ার মানুষ নই। আমার এখনও অনেক কাজ বাকি আছে। দেশের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্বাস করি, তাই করছি।" গণভোটে মানুষ ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দিয়েছে উল্লেখ করে থেরেসা মে বলেন, "আমরা সরকারে আছি। যুক্তরাজ্যের জনগণ সরকারকে যা করতে বলেছেন, আমরা তাই করছি। তারাই আমাদের ব্রেক্সিটের দিকে যেতে বলেছেন।"

ব্রিটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগের ব্যাপারে ভোটাভুটি হয় ২০১৬ সালের ২৩ জুন। ওই ভোটে ইইউ ত্যাগের পক্ষে রায় দেন ব্রিটিশ ভোটাররা। এরপর বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে যুক্তরাজ্যের ইইউ থেকে বেরিয়ে আসার চূড়ান্ত পদক্ষেপ শুরু হয়েছে।

সে সময় ফাঁস হওয়া  ব্রেক্সিটের প্রভাব মূল্যায়ন পরিসংখ্যানের বিষয়টি নাকচ করে দেন থেরেসা। ওই পরিসংখ্যানে দেখা যায়,ব্রেক্সিট পরবর্তী ব্রিটিশ অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘ব্রেক্সিটের প্রভাব মূল্যায়ন নামে এটাকে বর্ণনা করা হলে তা ভুল হবে। এটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এটা প্রাথমিক পর্যায়।’

দেশটির সরকারি কর্মকর্তারাই ওই জরিপটি তৈরি করেছেন। এরপর সব দিক থেকে চাপের মুখে রয়েছেন থেরেসা মে। নিজ দলের মধ্য থেকে তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিসংখ্যানটি বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করতে চাপ দিচ্ছে বিরোধী দল। এ অবস্থায় অনেকে তার পদত্যাগের দাবিও জানান।

থেরেসা মে আরও বলেন, "যা হচ্ছে তা কেবল প্রাথমিক বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যমূলক ব্যাখ্যা। সেখানে কোনও মন্ত্রী স্বাক্ষর করেননি বা তা অনুমোদনও হয়নি। সত্যি বলতে ভবিষ্যতে ইইউর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে, তা নির্ধারণের জন্যও এটা করা হয়নি।"

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তিন দিনের সফরে এখন চীনে আছেন। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের পর থেরেসা মে-এর প্রশাসন যেসব দেশের দিকে নজর দিয়েছে সেগুলোর একটি চীন। দেশটির সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার কথাও ভাবছে যুক্তরাজ্য। এরই মধ্যে দেশটির সঙ্গে নতুন শিক্ষা সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছেন থেরেসা মে। তার সফরে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কোম্পানির ৫০ জন ব্যবসায়ী সঙ্গী হয়েছেন।