শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, সকাল ১০:৪৫

ধামইরহাটে ঘন কুয়াশার কারনে বীজতলা নষ্ট

Published : 2018-01-16 17:03:00
অনলাইন ডেস্ক : নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ ঘন কুয়াশা বয়ে চলছে। দীর্ঘদিন ধরে ঘন কুয়াশার কারনে কৃষকের বোরো বীজতলা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে বীজের অভাবে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন ভুক্তভোগী কৃষকগণ।

দেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চল হিসাবে খ্যাত নওগাঁ জেলার সর্বত্র প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ ঘন কুয়াশা বয়ে চলছে। মধ্যরাত থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত, কোন কোন দিন পুরো দিনই সুর্যের মুখ দেখা যায় না। প্রচন্ড শীতের সাথে ঘন কুয়াশার কারনে মানুষের স্বাভাবিক জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ। অনেকে গড়ম কাপড়ের অভাবে ঘর থেকে বের হতে পারছেনা। এদিকে আর কয়েকদিন পর শুরু হবে ইরি বোরো ধান রোপন কর্মসুচি। কিন্তু আকস্মিক প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ ঘন কুয়াশার কারনে অনেক কৃষকের বোরো বীজতলা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

উপজেলার উমার ইউনিয়নের অন্তরগত ছাইতানকুড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, তিনি প্রায় ৭৫ শতাংশ বোরো ধান রোপনের জন্য বোরো বীজতলা তৈরি করেন। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারনে তার বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। উপজেলার কৃষি সম্পসারণ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, এবার এ উপজেলায় প্রায় ১৬ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রায় ৮শত ২০ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা প্রবাহিত হওয়ার কারনে অনেক বীঝতলা সামান্য কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এ সমস্যা উত্তরণের জন্য কৃষকদেরকে সচেতন করার লক্ষে প্রায় ১০হাজার লিফলেট বিতরন কর্মসুচি চলছে।

এছাড়া আরো কিছু বিষয়ের উপর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ গ্রামে গ্রামে গিয়ে কৃষকদের বোরো বীজতলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করছে।