বুধবার ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ০১:২৮
ব্রেকিং নিউজ

■  ভিসির কার্যালয়ে গেট ভাঙ্গার বিচার হবে: কাদের ■  জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যার মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার ■  সেনাপ্রধানের বাবা শরিফুল হকের ইন্তেকাল ■  ভেনেজুয়েলায় আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা ■  কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে : প্রধানমন্ত্রী ■  বেসরকারি শিক্ষকদের দ্বিতীয় দিনের মত ক্লাস বর্জন ■  ঢাবি উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ■  লিবিয়ার বেনগাজিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ২৭ ■  জুবায়ের হত্যা মামলা : হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু ■  জীবননগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত ■  বরগুনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

নির্বাচনের আগে মন্ত্রিসভায় চমক

Published : 2018-01-03 17:39:00, Updated : 2018-01-03 18:11:57
(উপরে বা থেকে) রাশেদ খান মেনন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পানি সম্পদমন্ত্রী, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী, নুরুজ্জামান আহমেদ সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, (নিচে বা থেকে) মোস্তাফা জব্বার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী, তারানা হালিম তথ্য প্রতিমন্ত্রী, শাহজাহান কামাল বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী ও কাজী কেরামত আলী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদক : সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সরকারের মেয়াদেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে হিসেবে ২০১৮ সালের ৯ মাস আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব পালন করবে। বিগত দুই বছর থেকে মন্ত্রিসভা পরিবর্তনের নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে মঙ্গলবার (০২ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভায় যোগ হয় আরও চারজন সদস্য। নতুন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপশি শরীক দলের তিনজন সিনিয়র মন্ত্রীর দফতর বদল করা হয়েছে। সবমিলে আটজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দফতর দেওয়া হয়েছে।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি এ সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের সময় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাকে বিমান থেকে সরিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দেওয়া হয়েছে এবং তার জায়গায় নতুন মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পানি সম্পদমন্ত্রী, আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে বন ও পরিবেশমন্ত্রী, তারানা হালিমকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে আইসিটি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বারকে। কাজী কেরামত আলীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পরিবেশ ও বন এবং জাতীয় পার্টির (এরশাদের) প্রেসিডয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার তাদের দুজনের দায়িত্ব পাল্টে দেওয়া হয়েছে। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পরিবেশে এবং আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে পানিসম্পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শরীক দলের সদস্য তিনজন সিনিয়র মন্ত্রীর দফতর বদল করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য আসছে। অনেকেই মন্তব্য করছেন, শরীক দলের সদস্যদের চাপে রাখার জন্য এই রদবদল করা হয়েছে। ফেসবুকে আশরাফুল নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘‘ মন্ত্রিসভায় শরীক দলের সদস্যদের নতুন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাম দল থেকে আওয়ামী লীগে এসে মন্ত্রী হওয়া অনেকের কার্যক্রম ভালো না। তাদেরকেও একটা বার্তা দিয়েছে জাতির জনকের কন্যার সরকার।’’

অনেকেই মন্ত্রিসভা রদবদলকে আওয়ামী লীগের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এই রদবদলকে একটি রুটিন কাজ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।