বুধবার ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ০১:৩৭
ব্রেকিং নিউজ

■  ভিসির কার্যালয়ে গেট ভাঙ্গার বিচার হবে: কাদের ■  জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যার মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার ■  সেনাপ্রধানের বাবা শরিফুল হকের ইন্তেকাল ■  ভেনেজুয়েলায় আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা ■  কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে : প্রধানমন্ত্রী ■  বেসরকারি শিক্ষকদের দ্বিতীয় দিনের মত ক্লাস বর্জন ■  ঢাবি উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ■  লিবিয়ার বেনগাজিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ২৭ ■  জুবায়ের হত্যা মামলা : হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু ■  জীবননগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত ■  বরগুনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না দেয়ায় হাইকোর্টে রিট

Published : 2018-01-03 16:04:00

অনলাইন ডেস্ক : প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য থাকা এবং নতুন কাউকে নিয়োগ না দেওয়া অসাংবিধানিক কেন হবে না, সে ব্যাপারে জানতে চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। বুধবার (০৩ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনি এ রিট করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট সর্বশেষ কার্যালয়ে যান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি দুই সপ্তাহের জন্য বিদেশ সফরে গেলে তার অবর্তমানে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক হিসেবে বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞাকে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি করা হয়।

পরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি জনাব সুরেন্দ্র কুমার সিনহার শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আগামী ৩ অক্টোবর হতে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ৩০ দিন ছুটি মঞ্জুরের বিষয়ে সানুগ্রহ অনুমোদন প্রদান করেছেন এবং মাননীয় প্রধান বিচারপতি অসুস্থতাজনিত ছুটি ভোগকালীন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক মাননীয় বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব প্রদান করিয়াছেন।

এ ছাড়া সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হলে কিংবা তার অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালন করতে না পারলে অন্য কোনো ব্যক্তি একই পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি নিজের কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে প্রবীণতম ব্যক্তি ওই কার্যভার পালন করবেন।