রবিবার ২১ জানুয়ারি, ২০১৮, সন্ধ্যা ০৬:০৪

খালেদা জিয়া এখনো পাকিস্তানের দোসর হিসেবে কাজ করছেন : দীপুমনি

Published : 2018-01-02 17:25:00
(ফাইল ছবি) অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপুমনি বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন পাকিস্তানের দোসর ছিলেন, এখনও তিনি সে দেশেরই দোসর হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধীদের মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়ীতে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধাপরাধের মামলার প্রতিটি রায়ের সময় হরতালের ডাক দিয়েছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলার তীব্র সমালোচনা করে সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরো বলেন, খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধীদের নিয়ে দেশকে আবারো পাকিস্তান বানাতে চান।

আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র ডা. দীপুমনি আজ দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ‘মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হালিমা আক্তার লাবন্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন ও জাতীয় মহিলা সংস্থার সভাপতি মমতাজ বেগম।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপুমনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধ খুব কাছে থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছেন।

তিনি বলেন, সে জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকেই তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

ডা. দীপুমনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তথাকথিত যে ধর্মীয় দলগুলোকে নিয়ে জোট করেছেন তারা ইসলামের কোন কথা বলে না। কিভাবে দেশের নারী সমাজকে অবরুদ্ধ রেখে নারী সমাজকে অন্ধকারে রাখা যায় সেই কথা বলে।

তিনি আরো বলেন, দেশে জঙ্গবাদী অপশক্তি ক্ষমতায় এলে নারী সমাজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর তাই মুক্তিযুদ্ধে চেতনাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ আগামী নির্বাচনে নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।