বুধবার ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮, বিকাল ০৩:৪৬
ব্রেকিং নিউজ

■  পশুখাদ্য মামলায় ফের ৫ বছরের কারাদ্ণ্ড লালুপ্রসাদের ■  আ.লীগ ৪০টির বেশি আসন পাবে না : জানালেন মোশাররফ ■  নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচন হবে না: হুশিয়ারি ফখরুলের ■  ২৯ জানুয়ারি ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ■  চবিতে প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্যের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা ■  ঢাবি উপাচার্যকে হেনস্তার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি ■  আফগানিস্তানে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ কার্যালয়ে হামলা, আহত ১১ ■  ঢাবিতে অরাজকতা হতে দেওয়া হবে না: হুশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ■  ভিসির কার্যালয়ে গেট ভাঙ্গার বিচার হবে: কাদের ■  জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যার মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার ■  সেনাপ্রধানের বাবা শরিফুল হকের ইন্তেকাল ■  ভেনেজুয়েলায় আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা ■  কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রিয়ভাষিণী আবার হাসপাতালে

Published : 2017-12-27 18:19:00
ফাইল ফটো

অনলাইন ডেস্ক : শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয় বলে একাধিক গণমাধ্যমকে জানান ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর ছেলে কারু তিতাস।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) থেকে তার মায়ের শরীরের অবনতি দেখা যাচ্ছিল। যে পায়ে অপারেশন হয়েছে তা ফুলে গেছে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২১ ডিসেম্বর তিনি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন শেষে বাসায় ফিরে যান। এর আগে ১১ ডিসেম্বর তার পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতালের ডা. নকুল দত্তের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, হৃদরোগসহ কয়েকটি রোগে আক্রান্ত তিনি।

গত ৮ নভেম্বর তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায়। ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে নির্যাতিত হন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিযোদ্ধা খেতাব দেয়। ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পদক পান। ২০১৪ সালে একুশের বইমেলায় তার আত্মজীবনীগ্রন্থ ‘নিন্দিত নন্দন’ প্রকাশিত হয়।