বুধবার ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮, সন্ধ্যা ০৭:১৯

রসিক নির্বাচনে বিপুল ভোটে জাপা প্রার্থীর বিজয়

Published : 2017-12-21 23:42:00, Updated : 2017-12-22 00:33:59

অনলাইন ডেস্ক : রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

বেসরকারিভাবে পাওয়া হিসাব অনুযায়ী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা লাঙ্গল প্রতীকে ১,৬০,৪৮৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দীন আহম্মেদ ঝন্টু ৬২,৪০০ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা ৩৫, ১৩৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। লাঙ্গলের বিজয়ে নগরীজুড়ে লাঙ্গলভক্তদের মধ্যে বইছে আনন্দের ঢেউ।

বিজয়ী হওয়ায় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ জাতীয় পার্টি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং রংপুরের সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ নগরবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, আমার কাছে আজ থেকে নগরীর সব মতের সব পথের মানুষ হবে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। যেকোনো ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে আমি তাদের পাশে থাকব। আমার দরজায় কখনো উঁচু-নিচুর পর্দা থাকবে না।

তিনি বলেন, এখন আমার প্রথম কাজ হবে নগরীর রাস্তাঘাট ঠিক করা। বর্তমানে এসব রাস্তাঘাট দিয়ে চলাচল করা যায় না। মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। নগরবাসীকে দূর্বিষহ এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে প্রথমেই রাস্তাঘাট সংস্কার, মেরামত ও নির্মাণ করতে চাই।
মোস্তফা আরো বলেন, আমার দ্বিতীয় কাজ হবে শ্যামাসুন্দরী খাল দখলমুক্ত করে তাতে পানির ধারা প্রবাহিত করা। শ্যামাসুন্দরীকে আমি ঘাঘট টু ঘাঘটে নিয়ে যেতে চাই। ময়লা আবর্জনা শ্যামাসুন্দরীর স্রোত দিয়ে বয়ে দিয়ে আমি পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দিতে চাই।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রতীকবিহীন প্রথম নির্বাচন হয়েছিল। এতে সরফুদ্দীন আহম্মেদ ঝন্টু মোটরসাইকেল প্রতীকে এক লাখ ছয় হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি এবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন। ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সমর্থন ছাড়াই হাঁস প্রতীক নিয়ে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা পেয়েছিলেন ৭৭ হাজার ৮০৫ ভোট। ওই নির্বাচনে কাওছার জামান বাবলা আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও কারচুপির অভিযোগ এনে আগের দিনই নির্বাচন বয়কট করেছিলেন। তবুও ভোট পেয়েছিলেন ২৪ হাজারের বেশি। এবার তিনি ছিলেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী।