শনিবার ২০ জানুয়ারি, ২০১৮, ভোর ০৫:৪১
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন

ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা

Published : 2017-12-21 17:09:00

অনলাইন ডেস্ক : উল্লেখ করার মতো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন(রসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এবার ভোট গণনা ও ফলাফলের পালা।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে এই ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীন ভোটগ্রহণ চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

নির্বাচনে শীতের কারণে সকাল থেকে ভোটারের সংখ্যা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। বুথগুলোর সামনে ছিল নারী ও পুরুষের দীর্ঘ লাইন।

এই নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের শালবন এলাকায় রংপুর সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজে কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট নেয়া হয়।

সেখানে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়ে সবাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। প্রথমে অনেককেই ভোট দেয়ার আগে দুশ্চিন্তায় দেখা গেলেও পরে ভোট দিয়ে তাদের আনন্দিত দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার সকালে মাহীগঞ্জের দেওয়ানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দিয়ে বিএনপি মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা অভিযোগ করেন কয়েকটি কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। তবে কোন কোন কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা না গেলেও এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তবে তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু দাবি করেন নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ভালো ছিল। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছে। নৌকা মার্কার বিজয়, বঙ্গবন্ধু কন্যার বিজয় সুনিশ্চিত।

অন্যদিকে নির্বাচনে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের ঢুকতে বাধা দেয়া হয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। যদিও নির্বাচন কমিশন ও মহানগর পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ সংক্রান্ত কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ১৯৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ সিটি করপোরেশনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫৬ ও মহিলা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৩৮ জন। সাতজন মেয়র প্রার্থীসহ সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১১ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৫টি জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।