বুধবার ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮, বিকাল ০৫:২১

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের নিবন্ধন শুরু

Published : 2017-12-18 22:29:00, Updated : 2017-12-18 22:36:23
অনলাইন ডেস্ক : শুরু হতে যাচ্ছে দর্শক-শ্রোতার সংখ্যার বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় উচ্চাঙ্গসংগীত আসরের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত উৎসব বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীতের ৬ষ্ঠ অধিবেশন। আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে শাস্ত্রীয় সংগীতের এই মহাজজ্ঞ। এই আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহীদেরকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। 

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে বিনামূল্যে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের ওয়েবসাইটে (bengalclassicalmusicfest.com) নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন নির্ধারিত কিছু বুথ থেকেও নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।

১. বেঙ্গল সেন্টার
প্লট ২, সিভিল এভিয়েশন
নিউ এয়ারপোর্ট রোড
খিলক্ষেত, ঢাকা।

২. জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যাপীঠ
বাড়ি ৬০, রোড ৭/এ
ধানমন্ডি, ঢাকা।

এছাড়াও উৎসব সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ পাওয়া যাবে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সংগীত উৎসবের ফেসবুক পেজ এবং এ উৎসবের ফেসবুকের ইভেন্ট পেজে। উৎসব সম্পর্কে কিছু জানতে চাইলে ফোন করুন +৮৮০ ৯৬৩৯ ৫৫৫ ০০০ এই নম্বরে।

বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রতিবার রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এই উৎসব হলেও এবার অনুমতি মেলেনি। তাই ‘বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৭’ হবে ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে। এবারের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে গবেষক, চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ ড. আনিসুজ্জামানকে।

প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হয়ে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত উৎসব চলবে এই গানের উৎসব। রাত ১২টায় গেট বন্ধ হয়ে যাবে, বের হওয়া গেলেও আর প্রবেশ করা যাবে না। 

আবাহনী মাঠের পাশে আবাসিক এলাকা হওয়ায় বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে শব্দ ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। থাকছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

২৬ ডিসেম্বর উৎসবের উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে আসবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, আবাহনী লিমিটেডের সভাপতি সালমান এফ রহমান, ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ও স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত বেহালা শিল্পী ড. এল সুব্রহ্মণ্যনের পরিবেশনায় উৎসবটি শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর। ৩০ ডিসেম্বর উৎসবের শেষ দিনের পরিবেশনা শুরু হবে বিদূষী সুজাতা মহাপাত্রের ওড়িশি নৃত্য পরিবেশনায় আর উৎসব শেষ হবে পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার বাঁশির সুরে।