বুধবার ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ০১:৩৪
ব্রেকিং নিউজ

■  ভিসির কার্যালয়ে গেট ভাঙ্গার বিচার হবে: কাদের ■  জয়নাব ধর্ষণ ও হত্যার মূল সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার ■  সেনাপ্রধানের বাবা শরিফুল হকের ইন্তেকাল ■  ভেনেজুয়েলায় আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা ■  কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে : প্রধানমন্ত্রী ■  বেসরকারি শিক্ষকদের দ্বিতীয় দিনের মত ক্লাস বর্জন ■  ঢাবি উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ■  লিবিয়ার বেনগাজিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ২৭ ■  জুবায়ের হত্যা মামলা : হাইকোর্টের রায় পড়া শুরু ■  জীবননগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত ■  বরগুনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

রোহিঙ্গাদের খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি আবার চালু হচ্ছে সোমবার

Published : 2017-12-17 12:31:00

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থেদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি সাময়িক বন্ধ রাখার পর আগামীকাল সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে আবার চালু হচ্ছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আলি আহমেদ জানিয়েছেন, ১৮ই ডিসেম্বর থেকে স্বাভাবিক ভাবে ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।

গত সোমবার (১১ই ডিসেম্বর) থেকে এক সপ্তাহের জন্য এ কর্মসূচি বন্ধ রেখেছিল সরকার।  জেলা প্রশাসক আহমেদ বলেন, "আসলে আমরা সাময়িকভাবে ত্রাণ কার্যক্রমটা বন্ধ রেখেছিলাম যাতে ত্রাণের অপচয় না হয়। আর এটা শুধু এনজিওদের জন্য ছিল। আন্তর্জাতিক এনজিও, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি যথারীতি কাজ করবে। স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায় থেকে যে সাহায্য আসছিল সেটাও কাজ করবে। রোববার (১৭ ডিসেম্বর) থেকে সাময়িক স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়ে যাবে। সোমবার থেকে আমরা আবার ত্রাণ কার্যক্রম চালাবো, অসুবিধা নাই।

খাদ্যসামগ্রীর কোনও অভাব হবেনা বলেও জানান আহমেদ। তিনি বলেন, "খাদ্য সামগ্রীর অভাব নেই। প্রচুর খাদ্য সামগ্রী আসছে। বিভিন্ন এনজিওর কাছে প্রচুর খাদ্য আছে"। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ত্রাণের খাবার নিয়ে বাইরে বিক্রি করে দিচ্ছে-এমন কোন অভিযোগ ওঠার মাঝেই আসে সরকারি সিদ্ধান্তের ঘোষণা। যদিও কর্তৃপক্ষ তেমন কোন প্রমাণ তাদের হাতে নেই বলে জানিয়েছিল। খাবার যাতে অপচয় না হয় এবং খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা যাতে আরও কার্যকর করা যায়, সেটা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আলী আহমেদ জানান, মিয়ানমার থেকে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য শীতকালীন প্রস্তুতিও যথেষ্ট নিয়েছেন তারা। "আমাদের ধারণা ১ লাখ ৬০ হাজারের মত পরিবার থাকতে পারে। এক-দেড় লাখ কম্বল বিতরণ হয়ে গেছে তারা শীতের জন্য কম্বল ও কাপড় পাচ্ছে"। এছাড়া শীতকালীন অসুখ-বিসুখের বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানান আহমেদ। তিনি বলেন, "ডিপথেরিয়া দেখা দিয়েছে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ডিপথেরিয়া কি-না সেটি নিয়ে কনফিউশন রয়েছে"। তবে এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা