রবিবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭, সকাল ০৮:২৯

খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর, আত্মপক্ষ সমর্থন চলবে

Published : 2017-12-05 10:28:00, Updated : 2017-12-05 15:07:36

অনলাইন ডেস্ক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্র দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আত্মসমর্পণ করতে আদালতে গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া । মঙ্গলবার (০৫ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার  দিকে আদালত পৌঁছান । এরপর খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ জামিন ও আত্মপক্ষ সমর্থন করে দেওয়া অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন । আদালত তা মঞ্জুর করেন । দুই মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানির আগে আত্মপক্ষ সমর্থনে বাকি বক্তব্য উপস্থাপনেরও সুযোগ পাচ্ছেন তিনি ।

আদালতে খালেদা জিয়া পৌঁছানোর আগেই তার আইনজীবীরা আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য তিনটি আবেদন করেন । আবেদনগুলো হলো- জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তি উপস্থাপন উত্তোলনপূর্বক আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাফাই সাক্ষী থেকে উত্তোলনপূর্বক আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন ।

গত বৃহস্পতিবার সময়মত আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় দুর্নীতির এই দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে ছয় দিন বক্তব্য দিয়েছেন খালেদা জিয়া।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। অন্যদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।