শুক্রবার ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮, সকাল ১০:০০

চিটাগংকে ৩৩ রানে হারাল রাজশাহী

Published : 2017-11-29 13:50:00, Updated : 2017-11-29 18:56:31

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রাম পর্বের শেষদিনের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক চিটাগাং ভাইকিংসকে ৩৩ রানে হারিয়েছে।  আর এ পরাজয়ে চট্টগ্রাম পর্ব দিয়ে বিপিএলের আসর থেকে বিদায় নিল চিটাগাং ভাইকিংস ‘হোম ভেন্যুতে’ চার ম্যাচের তিনটিতেই হার সৌম্য-এনামুলদের।  

এ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে এক ধাপ এগিয়ে সিলেট সিক্সার্সকে টপকে পাঁচ নম্বরে উঠে এলো রাজশাহী।  ১০ ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ৮ (৪ জয় ও ৬ হার)।  সমান ম্যাচে সিলেটের সংগ্রহ ৭ পয়েন্ট।  ১০ ম্যাচের সাতটিতেই হার চিটাগাংয়ের।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রাজশাহীর দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ বল বাকি থাকতে ১২৪-এ গুটিয়ে যায় চিটাগাংয়ের ইনিংস।  সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ভ্যান জিল।  অধিনায়ক লুক রনকি ৮, সৌম্য সরকার ১৩, এনামুল হক বিজয় ২৩, সিকান্দার রাজা ১৭, তানভীর হায়দার ১৩ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বাঁহাতি পেসার কাজী অনিক ৩.২ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট দখল করেন।  চার ওভারে ১৮ রান খরচায় দুই উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান।  একটি করে উইকেট নেন দুই পাকিস্তানি মোহাম্মদ সামি ও উসামা মির।  

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান তোলে রাজশাহী।  ২৫ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে শেষ ওভারে আউট হন দলপতি ড্যারেন স্যামি।  ৩০ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন জেমস ফ্রাঙ্কলিন।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় কিংসরা।  দলীয় ১০ রানে হারান ফর্মে থাকা মুমিনুল হককে। দ্বিতীয় উইকেটে ৩১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন লুক রাইট ও জাকির হাসান।  একপর্যায়ে হাত খুলে খেলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন জাকির। ব্যক্তিগত ১৭ রানে লুইস রিসের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করেন রাইট।  তবে সেই যাত্রায় থেমে যান তিনি নিজেই।  স্পিনার সানজামুল ইসলামের শিকার হয়ে ফেরেন দারুণ খেলতে থাকা রাইট।  রানের পেতে থাকা মুশফিকও বড় ইনিংস খেলার আভাস দিচ্ছিলেন। তবে যান তিনিও। ব্যক্তিগত ৩১ রান করে স্পিনার নাঈম হাসানের শিকার হয়ে ফেরেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

এরপরই ভরসার প্রতীক হয়ে আবির্ভূত হন স্যামি। প্রথমে জেমস ফ্রাঙ্কলিনকে নিয়ে ধীরে ধীরে এগুতে থাকেন তিনি। পরে হাত খুলে হাঁকাতে থাকেন বাউন্ডারি। তাকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দেন ফ্রাঙ্কলিন। পঞ্চম উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। শেষ ওভারে রিসের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফেরেন স্যামি। ফেরার আগে করেন ৪০ রান। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৫৭ রান তুলতে সক্ষম হয় রাজশাহী।

শেষ ওভারে স্যামি ও ফ্রাঙ্কলিনকে ফিরিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন লুইস রিসি। একটি করে নেন তাসকিন আহমেদ, সাঞ্জামুল ইসলাম ও নাঈম ইসলাম।

ঝড়ো ইনিংস উপহার দেওয়ায় রাজশাহী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।