বুধবার ২২ নভেম্বর, ২০১৭, সকাল ০৭:৪৫

ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের জুলুম ক্ষমা করে দেয়া হবে: খালেদা জিয়া

Published : 2017-11-12 14:42:00, Updated : 2017-11-12 17:27:16
ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-নিপীড়নের অভিযোগ তুলে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের জুলুম ক্ষমা করে দেয়া হবে।

৭ নভেম্বর উপলক্ষে রবিবার রাজাধানীর সোহরাওয়াদী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন।

রোববার (১২ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি জনসভাস্থলে প্রবেশ করেন। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে বিভিন্ন ধরনের স্লোগানে-স্লোগানে স্বাগত জানান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম (ইলেট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়ে খালেদা জিয়া সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান।

এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।

রোববার বিকেল সোয়া ৪টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আজকের এই জনসভায় আসতে আমাকেও পথে বাধা দেয়া হয়েছে, যাতে আমি জনসভায় উপস্থিত হতে না পারি। রাজধানীতে গাড়ি বন্ধ করে দিয়েছে সরকার, যাতে মানুষ জনসভায় আসতে না পারে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। এ জন্য বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ছেলেদেরকে প্রতিনিয়ত সরকার জেলে পুরছে।

দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটে গুলশান কার্যালয় থেকে সমাবেশের উদ্দেশে তিনি রওনা হন। বিকেল ৩টার পরে তিনি সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন।

দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর বক্তারা তাদের বক্তব্য শুরু করেন।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রোববার বেলা ২টায় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভা শুরু হয়।

সঞ্চালনা করছেন প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। জনসভায় অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত হয়েছেন। যারা মঞ্চের সামনে ও এর আশেপাশে অবস্থান করছেন।

মঞ্চে আছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ আরো অনেকে।

দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাও উপস্থিত আছেন মঞ্চে।

প্রায় ১৯ মাস পর রাজধানীতে বড় ধরনের সমাবেশ করছে বিএনপি। আর এতে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এ সমাবেশ আয়োজন করা হলেও বিএনপি কর্মীরা এই সমাবেশকে নির্বাচনী সমাবেশই ভাবছেন। তাই আজকের সমাবেশে কি বার্তা দেয়া হবে, সেই অপেক্ষায় করছেন বিএনপি কর্মীরা।

এর আগে শনিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও জানিয়েছেন, জনসমাবেশ থেকে দেশের জনগণের প্রতি বার্তা পৌঁছে দেবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের পর বিএনপি কর্মীরা আশা করছেন রোববারের সমাবেশে দলীয় চেয়ারপারসন স্পষ্ট করবেন আগামী দিনের লড়াই সংগ্রামের কৌশল।

আরও খবর