শনিবার ২০ জানুয়ারি, ২০১৮, ভোর ০৫:৪০

এই আদর্শ রেখে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে

Published : 2017-03-28 21:56:00, Updated : 2017-04-04 20:22:24
এ কে এম শাহনাওয়াজ: বলা হয় ইতিহাস চর্চা জীবন্ত জাতির পরিচায়ক। কিন্তু এদেশের ক্ষমতাপ্রিয় রাজনৈতিক দলগুলোর পরিচালকগণ ইতিহাসকে যেমন ধারণ করেন না, ইতিহাস থেকে শিক্ষাও নেন না। শুধু তাই নয়, নিকট অতীতে নিজেদের মূল্যায়ন করেও আত্মশুদ্ধির পথে এগুতে চান না। ভাঙা রেকর্ডের মতো বস্তাপচা কথাগুলো বলতে থাকেন। তা মানুষ গ্রহণ করল কি করল না, এ নিয়ে কোনো পরোয়া নেই। ষাট বা সত্তরের দশকে ভূতের গল্প শুনে যে কিশোরের গা ছমছম করত, একা ঘুমোতে ভয় পেত, সে কিশোর এখন তেমন গল্প শুনে হেসে উড়িয়ে দেবে। গল্প বলা দাদিকে একটি হরর মুভি দেখিয়ে ভয় পাইয়ে দিতে চাইবে। সুতরাং তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অ্যানালগ রাজনীতি থেকে ফিরে আসতে হবে। প্রত্যেক যুক্তিবাদী মানুষ চাইবেন আওয়ামী লীগের পাশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক। ক্ষমতারও পালাবদল হোক। বিএনপি ছাড়া এই মুহূর্তে বিকল্প কোথায়! কিন্তু এই বিকল্পও কি আমরা হাতছাড়া করে ফেলছি? বিএনপি দলটির বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে, দেশজুড়ে দলের প্রতি ভালোবাসা থাকা অসংখ্য নেতাকর্মী থাকলেও এই শক্তি নিয়ে রাজপথ সরব করার মতো সত্ আদর্শবান যোগ্য নেতৃত্ব নেই।
কেবল চার দেয়ালের ভেতর বসে ‘সরকার মামলা হামলা দিচ্ছে’, ‘পুলিশি হামলায় মিটিং-মিছিল করতে পারছে না’-এমন কাঁদুনি গেয়ে যাচ্ছেন অনবরত। যেন নষ্ট রাজনীতির আমাদের দেশে এ এক নতুন খেলা। সরকারে থাকলে সামর্থ্য অনুযায়ী সকল দলই বিরোধী দলকে চাপে রাখার নানা অপকৌশল ব্যবহার করেছে। বিএনপি নেতৃত্ব নিজ আমলের কথা ভুলে গেলেন কেমন করে! মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, মোহাম্মদ নাসিম—এমন সব আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপি আমলে পুলিশের লাঠিতে রক্তাক্ত হননি? তারপরও রাজপথ ছাড়েননি তারা। বিএনপির স্যুট-টাই পরা এলিট নেতারা রাজপথের আন্দোলনে তেমন অভ্যস্ত নন। কতটা সহজ পথে ক্ষমতায় যাওয়া যায়, এটা যদি লক্ষ্য হয় তবে বিবৃতিজীবী দলেই পরিণত হতে হবে।
এ সময়ে বিএনপি নেতাদের উচিত ছিল পাকিস্তানি ভাবধারা থেকে বেরিয়ে আসা। বিএনপির অধিকাংশ কর্মী-সমর্থক তা পছন্দ করছে না। মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান ‘জয়বাংলা’ বাদ দিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদের আলোকে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ দিয়ে দলীয় ভাবাদর্শ তো প্রকাশ করেছেন আগেই। যুদ্ধাপরাধীদের পাকিস্তানি ইচ্ছেয় পুনর্বাসিত করে এবং মন্ত্রিত্ব দিয়ে দলীয় সতীত্ব পুরোটাই বিসর্জন দিয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিল নানা ঘাত-প্রতিঘাতের পর নতুনভাবে নিজেকে সাজিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে বাংলাদেশি ভাবধারার দল হিসেবে নতুনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবে। কিন্তু কার্যত বিএনপি পাকিস্তানি বলয় থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারল না।
এ কারণে বাংলাভাই থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত জঙ্গিদের প্রতি একটি প্রশ্রয় যেন কাজ করছে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি হামলা, ঢাকায় আত্মঘাতী জঙ্গি হত্যা। এসব উড়িয়ে দিতে চেয়েছেন বিএনপি মহাসচিব থেকে শুরু করে অনেক নেতাই।
তারা বলেছেন জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরাতে নাকি জঙ্গিদের কথা সরকার বাড়িয়ে বলছে। আবার সিলেটে জঙ্গি হামলার পর সুর ঘুরিয়ে দিয়েছেন। দু’দিন না যেতেই জঙ্গিদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহতের কথা বলছেন বিএনপির মহাসচিব। পাকিস্তান পন্থার একটি নির্লজ্জ প্রমাণ রাখলেন বিএনপি নেতারা ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে নীরব থেকে। জঙ্গিবাদের মতো গণহত্যাকেও কি অস্বীকার করতে চায় বিএনপি? ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রদল ও পরে বিএনপি করা আমার এক বন্ধু ২৬ মার্চ সকালে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘আমি নিজেকে পাকিস্তানপন্থী দলের সদস্য ভাবতে চাইছি না। তাই স্বাধীনতা দিবসের সকালেই আপনাকে জানালাম আমি আজ থেকে স্বাধীন। রাজনৈতিক ভাবনাকে বিসর্জন দিয়ে অবসরে চলে গেলাম। এই বিএনপিকে আমি ধারণ করতে পারব না।’
আমি ভাবলাম বিএনপি নেতৃত্ব শুদ্ধ ধারায় কখনও ছিল কী! বিএনপির ক্ষমতা শেষে ১৯৯৬-এর জাতীয় নির্বাচনের আগের সময়টাকে স্মরণে আনতে পারি। সেসময় বিএনপি ও জামায়াত জোটের বড় সাফল্য ছিল তাদের সরকার ক্ষমতার মেয়াদ পূর্ণ করতে পেরেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তখন রাজনীতির মাঠে। জোট সরকার সবসময় দাবি করে আসছিল, তারা সফলভাবে অতিবাহিত করতে পেরেছে তাদের শাসনের কালপরিসর। উন্নয়নের জোয়ারে ভরিয়ে দিতে পেরেছে দেশকে। এর আগের আওয়ামী লীগ সরকার তাদের ‘অপশাসনে’ জনগণ দ্বারা পরিত্যাজ্য হয়েছিল। তাই দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছিল জোট নেতৃত্ব। ‘বিপুল জনসমর্থিত’ এমন এক সরকার তাদের ভাষায় ক্ষমতাকালে উন্নয়নে সয়লাব করে দেশকে উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের এসব দাবির কারণে স্বাভাবিকভাবেই মনে করা গিয়েছিল আসন্ন নির্বাচনের মাঠে সবচেয়ে নিরুদ্বিগ্ন বিএনপি ও জামায়াত জোট। পাঁচ বছরের ‘সুশাসনের’ সুফলভোগী মানুষের বড় অংশ অনাবিল স্বস্তিতে আনন্দ মিছিল করে ভোটকেন্দ্রে যাবে। ‘সুশাসক’ হিসেবে পরীক্ষিত ‘বিপুল জনসমর্থিত’ বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের যেহেতু তৃপ্ত জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, তাই তারা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অনেক দরজা খোলা রাখবে। তাতে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক দেশের মর্যাদা ও সুনাম ছড়িয়ে পড়বে দেশ থেকে দেশান্তরে। দেশের মর্যাদা বৃদ্ধির সিংহভাগ কৃতিত্ব জমা হবে সদ্য শাসন মেয়াদ পূর্ণ করা জোটের ঝুলিতে। ফলে শুধু এবার কেন, বারবার গণরায়ে ক্ষমতায় ফিরে আসার কথা এই জোটের। এমন শক্তিমান অবস্থা যাদের, তাদের তো কোনো ফাঁদে পা দেওয়ার কথা নয়। তখনকার বিরোধী দল বা জোট তো চাইবেই নানা কৌশলে পর্বতপ্রমাণ ‘জনপ্রিয়’ বিএনপি-জামায়াত জোটকে দুর্বল করতে। দেশে অস্থিরতা তৈরি করে নির্বাচনী হাওয়া নিজেদের দিকে বইয়ে দিতে। অমন অবস্থার শঙ্কা বা দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়ার কথা নয় বিএনপি ও জামায়াত জোটের। ভীত হবে ক্ষমতা ছেড়ে আসা তেমন দল বা জোট, যারা নিজেদের বিষয়ে দ্বিধান্বিত। অপশাসনের কালিমা যাদের গায়ে দৃশ্যমান। ক্ষমতার সুযোগে দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল যারা। যাদের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ ছিল দেশের মানুষ। অতঃপর তেমন সদ্য ক্ষমতা ছেড়ে আসা জোট যদি পুনরায় নির্বাচনী বৈতরণী পাড়ি দিয়ে পুনর্বার ক্ষমতায় আসবেই বলে সিদ্ধান্ত নেয় তবে তাদের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে মনের জোরের মিল থাকে না। যদি একবার বুঝতে পারে কৃতকর্মের কারণে গণরায় পক্ষে যাওয়ার সুযোগ নেই তখন নানা অন্ধকার পথ হাতড়ে বেড়ায়। ক্ষমতা ছাড়ার আগেই নিকষ কালো গুহায় বসে ছক কাটে। খুদ ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। ফলে ‘খুদলোভী’ কাকদের জড়ো করে। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সকল স্তরে রঙ্গমঞ্চ সাজাতে থাকে নিজেদের মতো করে। প্রকৃত সত্য সকলের অলক্ষ্যে নির্বাসন দিয়ে সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করতে থাকে একে একে। এরপর তারা ভিন্ন অর্থে রবীন্দ্রনাথের গানের কলিকে নিজেদের জন্য আপ্তবাক্য বিবেচনা করে—‘তোরা যে যা বলিস ভাই আমার সোনার হরিণ চাই’।
এমন অবস্থা নিশ্চয়ই সুশাসনের প্রশান্তি বইয়ে দেওয়া বিএনপি ও জামায়াত জোটের তখন ছিল না। বরঞ্চ তাদের নির্বাচনের মাঠে সজাগ থাকার কথা ছিল যাতে কোনোরকম কলঙ্ক ছুঁঁয়ে না যেতে পারে। কৃতজ্ঞ জনগণ যাতে কোনোভাবে বিভ্রান্ত হতে না পারে।
কিন্তু প্রকৃত অর্থে তা ঘটেনি। ক্ষমতা ছাড়ার শেষ অধ্যায় থেকে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে একটি অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। আত্মবিশ্বাসহীনতা থেকে এ ধরনের অস্থিরতার জন্ম হয়। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে এ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে ক্ষমতা ছাড়ার আগে বাহ্যিক গণতন্ত্রী দলগুলো পরবর্তী নির্বাচন নিজেদের পক্ষে আনার জন্য ভোটারের মন জয়ের বদলে নানা কলাকৌশল প্রতিষ্ঠায় ঘর্মাক্ত থাকে। সেই লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যন্ত প্রশাসন সাজায় নিজেদের মতো। বিবেকহীন লোভী প্রজাতন্ত্রের কতিপয় কর্মকর্তাকে আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দলীয় প্রভাব বলয়ে রাখতে চায়। অন্ধকার পথে নির্বাচনের ফলাফল নিজের পক্ষে নিতে অন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা। ফলে এই ক্ষেত্রটিকেও কব্জা করে।
অর্থাত্ নিকট বা দূরবর্তী ইতিহাসেও বিএনপি নেতৃত্ব তাদের পরিচ্ছন্ন গণতান্ত্রিক আচরণ দেখাতে পারেনি। সুতরাং আজ যখন দলে অনেকটা ক্ষয়িষ্ণু দশা তখন গতানুগতিক সরকার সমালোচনা ও গণতন্ত্র গণতন্ত্র আহাজারি করে ডিজিটাল যুগের দেশবাসীর কাছে পৌঁছানো যাবে না। মানুষ কিন্তু সবই এখন হিসাবে রাখে। ১৯৯৬-এর নির্বাচনের আগে এ সময়ের মতোই একটি অস্থিরতা বিএনপি নেতৃত্বের মধ্যে কাজ করেছিল। তাই তারা সেসময় অন্ধকার পথ তৈরি করে নির্বাচনের ছক কেটেছিল। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী তৈরি করা নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকে বিতর্কিত হয়েছিল। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যকলাপে আর টিভি ক্যামেরার সামনে শব্দচয়নে দেশবাসীর মনে ধন্ধ লেগেছিল ‘ইনিই কি একসময় বিচারকের মহান আসনে আসীন ছিলেন!’ শুধু বিরোধী দলের বিরোধিতা নয়, দেশবাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের গৃহীত ভোটার তালিকার অস্বচ্ছতা। এই অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতকে রায়ও দিতে হল। একজন সাবেক বিচারপতি হয়েও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আদালতের রায়কে থোড়াই কেয়ার করেছিলেন। যেন নির্বাচন কমিশনের চোখে আদালতের চেয়ে বড় অন্তরালের নিয়ন্ত্রক ‘উপরওয়ালা’। অবস্থা এমন হয়েছিল যে, সে সময়ের সরকারের অর্থমন্ত্রীই নির্বাচন কমিশনের বিপুল অর্থ অপচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সাবেক আইনমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নীতিনির্ধারকরাও সিইসির বিরুদ্ধে বিরক্তি গোপন রাখতে পারেননি। তারপরেও নির্বাচন কমিশন সংস্কারের প্রস্তাবের পক্ষে কথা বলে বিএনপি ও জামায়াত জোট নিজেদের চিন্তার বস্তুনিষ্ঠতা, রাজনৈতিক সাধুতা ও দৃষ্টিভঙ্গির উদারতা দেখাতে পারেনি। কারণ একটাই—যেভাবে অসাধু ছক সাজানো হয়েছে সে অঙ্কে কোনো গরমিল হলে ফলাফল শূন্য হওয়ার আশঙ্কা। ক্ষমতালোভী শক্তি সত্যনিষ্ঠতার শুভ্র বসন পরে বোকার স্বর্গে বাস করতে চায় না। তাদের বিবেচনায় এর চেয়ে ঢের ভালো কালো পোশাকে মৌচাকের মধু নিঙড়ে নেওয়া। এ কারণে নির্বাচন কমিশন ঢেলে সাজানোর প্রশ্ন। কারণ তারা তো গণরায় নিজেদের পক্ষে আসার ব্যাপারে নিশ্চিত। বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে জেতার পরও তাদের প্রতি অনেকের প্রশ্নের আঙুল উত্তোলিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। দাবি করা অমন জনপ্রিয় জোট কেন সেধে এমন দায়ভার ঘাড়ে নেবে?
ইতিহাস তো বারবার ফিরে আসে। আজ বিএনপি নেতারা ঘরে বসে যতই গরম গরম বক্তৃতা-বিবৃতি দেওয়ার চেষ্টা করুন, আন্দোলন নিয়ে মাঠে না নামতে পারলে দলকে চাঙ্গা করা কোনোভাবে সম্ভব নয়। এই স্থবিরতার মধ্যে বিএনপি নেতৃত্ব যদি উলঙ্গভাবে পাকিস্তানপ্রীতি দেখাতে থাকে তখন দুর্বল শিবিরে যারা অস্বস্তিতে রয়েছেন, তাদের দলছুট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়বে। আম-ছালা দুটো হারিয়ে বিএনপি তখন ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পাবে কোথায়! বিএনপি নেতৃত্বকে তাই সবার আগে আদর্শ ঠিক করতে হবে। পাকিস্তানি আদর্শ বজায় রাখলে ঘুরে দাঁড়ানো তো পরের কথা, দারুণভাবে অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে দলটি।
লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
shahnawaz7b@gmail.com