শনিবার ২০ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ০১:০৮

চোর সন্দেহে পানিতে ডুবিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা

Published : 2017-09-13 23:32:00
সিলেট অফিস: বালাগঞ্জে চোর সন্দেহে হাত-পা বেঁধে ডোবায় ডুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায় ফয়সল মিয়াকে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় আড়াই মাস পর প্রধান আসামিদের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে ফয়সল হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়। গতকাল বিকেলে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলামের খাস কামরায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে মামলার প্রধান আসামি আছলিম আলী এ স্বীকারোক্তি দেন। এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে উপজেলার কালীবাড়ি বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বালাগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আবুল বাশার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, ‘চলতি বছরের ২৫ জুন বালাগঞ্জ উপজেলার বোয়ালজুড় ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রাম সংলগ্ন বাটনার হাওর থেকে মজলিশপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে ফয়সল মিয়ার হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবদুল হান্নান বাদী হয়ে ৫ জনের নামোল্লেখ করে গত ১ জুলাই বালাগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পুলিশ গত মঙ্গলবার রাতে মামলার প্রধান আসামি আছলিমকে গ্রেফতার করে। গতকাল বিকেলে তাকে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির জন্য নিয়ে আসা হয়।’
ওসি (তদন্ত) জানান, জবানবন্দিতে আছলিম বলেছে মামলার ৩নং
আসামি মঙ্গুর নির্মাণাধীন স্কুল থেকে রড চুরি হলে সন্দেহ হয় ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ী ফয়সল এর সঙ্গে জড়িত। এ সন্দেহে আসামিরা ঘটনার দিন বিকেলে ফয়সলকে ধাওয়া করে ধরে। পরে হাত-পা বেঁধে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী ডোবায় ফেলে দেয়। হাত-পা বাঁধা থাকায় সে উঠতে পারেনি। প্রায় আধঘণ্টা পর আসামিরা ডোবায় তল্লাশি করে দেখতে পায় ফয়সল মারা গেছে। এ সময় তারা ডোবায় লাশটি ডুবিয়ে রাখে। রাত ১০টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে গুম করার উদ্দেশ্যে বাটনার হাওরে তার লাশ ফেলে আসে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।