সোমবার ২২ জানুয়ারি, ২০১৮, সন্ধ্যা ০৬:৩৬

চতুর্থ ব্যাচের অ্যাক্সিলেরেটরের যাত্রা শুরু

Published : 2017-09-10 23:25:00
নিজস্ব প্রতিবেদক: জিপি হাউসে গ্রামীণফোন অ্যাক্সিলেরেটরের (জিপিএ) ডেমো ডেতে চতুর্থ ব্যাচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে। গ্রামীণফোনের সঙ্গে চার মাসের অ্যাক্সিলেরেটর যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করে তৃতীয় ব্যাচের স্টার্টআপগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে তাদের ব্যবসাকে উপস্থাপন করে। একই প্ল্যাটফর্মে চতুর্থ ব্যাচের নতুন পাঁচটি স্টার্টআপকে স্বাগত জানানো হয়।  
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ডিজিটাল দেশ গঠন এবং ডিজিটাল লাইফস্টাইলের জন্য ডিজিটাল পণ্য ও সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এক্ষেত্রে সহায়তার চেষ্টা করছে এবং আপনারাও এতে সহায়তা করছেন দেখে আমি আনন্দিত।
প্রাথমিক পর্যায়ে তরুণ স্টার্টআপদের প্রযুক্তি বিষয়ক সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে এসডি এশিয়ার সঙ্গে মিলে দি জিপি অ্যাক্সিলেরেটর প্রোগ্রামটি সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ব্যাচের স্টার্টআপদের চার মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞ দ্বারা কারিকুলামভিত্তিক মেন্টশিপ প্রদান করা হয়। নির্বাচিত প্রতিটি স্টার্টআপকে সিড ফান্ড হিসেবে ১২ লাখ টাকা, প্রায় ১০০০ মার্কিন ডলার মূল্যের অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস ক্রেডিট এবং চার মাসব্যাপী জিপি হাউসে কাজ করার জন্য বিশাল জায়গা দেওয়া হয়ে থাকে। একই সঙ্গে এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের নজরে আসা, খাত সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের দ্বারা যাচাই-বাছাই এবং নিজেদের প্রকল্পটি বাণিজ্যিকীকরণের লক্ষ্যে সবরকম আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে স্টার্টআপগুলো। এদের মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান আগামী সেপ্টেম্বরে টেলিনর গ্রুপ আয়োজিত ডিজিটাল উইনার এশিয়ায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে এশিয়ার অন্যান্য দেশে নিজেদের ব্যবসা বিস্তারের সুযোগ পাবে।     
তৃতীয় ব্যাচের তিনটি স্টার্টআপ-জলপাই, মাইক্রোটেক ও ব্যাংককম্পেয়ারবিডি  স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, পেশাদার প্রযুক্তিবিদ, গ্রামীণফোন ও এসডি এশিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ আমন্ত্রিত প্রায় ২০০ জনের সামনে যার যার ব্যবসায়িক ধারণা প্রদর্শন করে। চতুর্থ ব্যাচের স্টার্টআপরাও অতিথিদের সামনে নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরে। চতুর্থ ব্যাচের শীর্ষস্থানীয় স্টার্টআপগুলো হচ্ছে-অল্টারইয়ুথ, ফুডটং, অভিযাত্রিক, মার্স এবং আমার উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন খাতের জটিল সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এবারের প্রোগ্রামটি পরিচালনা করা হবে।
নতুন ব্যাচকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলি বলেন, নতুন বাস্তবতার সঙ্গে তাল মেলাতে আমরা আমাদের ব্যনসার জন্য একটি ইকো সিস্টেম গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি এবং আপনাদের উদ্ভাবিত সেবাগুলো আমাদের নেটওয়ার্কে চলে ও গ্রাহকদের নতুন চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।