সোমবার ২২ জানুয়ারি, ২০১৮, রাত ১০:৩০

বিশ্ব আইটি সম্মেলনে বাংলাদেশ

Published : 2017-09-09 23:25:00
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর চার দিনব্যাপী তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে হতে যাচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিশ্ব অলিম্পিক আসর হিসেবে খ্যাত ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি (ডব্লিউসিআইটি) ২০১৭’ সম্মেলন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘ডিজিটাল যুগের প্রতিজ্ঞা পূরণ : ডিজিটাল স্বপ্নে বসবাস’। এরই সমান্তরালে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আরও দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘অ্যাসোসিও আইসিটি সামিট ২০১৭’ ও ‘৩৫তম অ্যাফ্যাক্ট প্লেনারি মিটিং’।
বিশ্ব এবং ভূ-আঞ্চলিক এসব সম্মেলনে যোগদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) উদ্যোগে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অর্ধশতাধিক সদস্যের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল তাইওয়ানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছে। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এবং বিসিএসের সভাপতি আলী আশফাকসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠন ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) উদ্যোগে ‘ডব্লিউসিআইটি ২০১৭’ এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তির শীর্ষ সংগঠন এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে ‘অ্যাসোসিও আইসিটি সামিট ২০১৭’। এই উভয় সংগঠনেরই সদস্য ইনফরমেশন সার্ভিসেস ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অব তাইওয়ান (সিসা) সরেজমিনে সম্মেলন দুটি আয়োজনে মুখ্য দায়িত্ব পালন করছে। তা ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক কাউন্সিল ফর ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক বিজনেস (অ্যাফ্যাক্ট) কর্তৃক ‘৩৫তম অ্যাফ্যাক্ট প্লেনারি মিটিং’ আয়োজনেও সিসা সহায়তা করছে।
বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশের প্রায় তিন সহস্রাধিক নীতিনির্ধারক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিদ, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, সরকারি কর্মকর্তা ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি বিশ্বসেরা এসব সম্মেলনে যোগদান করবেন। তারা সর্বশেষ প্রযুক্তি ও ব্যবসার নতুন নতুন উদ্ভাবনী পণ্য ও ক্ষেত্র, চিন্তা, মতামত, নতুন পরিসেবা সৃষ্টি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিমালা গ্রণয়ের লক্ষ্যে বহুমাত্রিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন।
আয়োজক সংগঠন তিনটির শীর্ষ সম্মেলনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রযুক্তি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সফলতা ও অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সর্বোত্তম প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদেরকে পুরস্কারে ভূষিত করা হবে।