শনিবার ২০ জানুয়ারি, ২০১৮, দুপুর ০১:০৭

মেধাস্বত্ব অধিকার সংরক্ষণে ‘ই-কপিরাইট’

Published : 2017-08-29 23:47:00
নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে যৌথ আয়োজনে ‘ই-কপিরাইট সেবা’র উদ্বোধন করা হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আইসিটিভিত্তিক এই সেবার উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান।
কপিরাইটের অফিস শুধু ঢাকায় থাকায় সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে কপিরাইট সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া শুধু ঢাকায় সম্ভব ছিল। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা সম্পর্কে আবেদনকারীর কাছে তথ্য না থাকায় কাগজপত্র জমা দেওয়ায় ভুল হতো এবং একাধিকবার অফিসে আসতে হয়। এতে করে আবেদনকারীর খরচ ও যাতায়াত দুটোই বৃদ্ধি পেত। আবেদনের সব কাজ হাতে-কলমে সম্পন্ন হতো বলে আবেদনকারীকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এ ছাড়া পূর্বে সনদপ্রাপ্ত কর্মের কোনো প্রকার ডিজিটাল সংরক্ষণ ব্যবস্থা ছিল না বলে বাছাই প্রক্রিয়া ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েই যেত। ইউএনডিপি এবং ইউএসএইডের কারিগরি সহায়তায় অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের সহায়তায় ‘ই-কপিরাইট’ সেবা ব্যবস্থা চালু করেছে, যার মাধ্যমে এখন বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরি সাহিত্যকর্ম, নাট্যকর্ম, সংগীতকর্ম, রেকর্ডকর্ম, শিল্পকর্ম, চলচ্চিত্র বিষয়ক কর্ম, বেতার সম্প্রচার, টেলিভিশন সম্প্রচার, কম্পিউটার-সফটওয়্যার কর্ম ইত্যাদি নিবন্ধনের জন্য সহজেই বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের ওয়েবসাইট (http://www.copyrightoffice.gov.bd/)-‰ গিয়ে কপিরাইটের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। প্রত্যেকটি আবেদন একটি স্বয়ংক্রিয় উপায়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এসএমএসের মাধ্যমে নোটিফিকেশন প্রদান করা হবে এবং নির্দিষ্ট তারিখে কপিরাইট সার্টিফিকেট বিতরণ করা হবে। প্রয়োজনে ই-সার্টিফিকেটও পাওয়া যেতে পারে, যা পরবর্তীতে অনলাইনে যেকোনো সময় যাচাই করা যাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার ও এটুআই প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।