শুক্রবার ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮, রাত ১১:৪২

১৪ উপজেলা ও ৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে

Published : 2017-03-06 15:12:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: : দেশের ১৪টি উপজেলা পরিষদ ও ৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে। ১৪ উপজেলার মধ্যে তিনটিতে প্রথমবারের মতো ভোটগ্রহণ এবং বাকি ১১ উপজেলায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও দেশের চারটি পৌরসভায় আজ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য, কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলা এবং ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আজ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী থাকায় এই দুই উপজেলায় প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আজ যেসব উপজেলায় নির্বাচন হবে সেগুলোর মধ্যে সিলেটের ওসমানীনগর, খাগড়াছড়ির গুইমারা ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সব পদেই ভোট হবে। এছাড়া শুধু চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন হবে বরিশালের বানারীপাড়া ও গৌরনদী, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, কুমিল্লার আদর্শ সদর, পাবনার সুজানগর ও কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, নাটোরের বড়াইগ্রাম, নীলফামারীর জলঢাকা, সাতক্ষীরার কলারোয়া ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে। পাবনার ঈশ্বরদী ও কুমিল্লার সদর দক্ষিণে নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে।
অন্যদিকে টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভায় ২ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদ, পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভায় মেয়র পদ, রাজশাহীর আড়ানী পৌরসভায় ১ নম্বর সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদ ও বগুড়ার শেরপুর পৌরসভায় ৭ নম্বর সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ভোট হবে।
আজ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনী এলাকাগুলোতে এদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কোনো ধরনের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ এলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। গতকাল ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ গতকাল বিকেলে বলেন, বাঘাইছড়ি পৌর নির্বাচনের পর নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে দ্বিতীয়বার ভোটগ্রহণ হতে যাচ্ছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, আমাদের প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি নেই। আমরা চাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এ জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে কেউ প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে কিংবা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কেউ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।