মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, রাত ১০:২৪

রৌমারীতে বখাটেকে ধরে ছেড়ে দিল পুলিশ!

Published : 2017-07-15 19:17:00, Updated : 2017-07-15 19:20:58, Count : 843
রৌমারী সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে থানায় অভিযোগ দেয়ার পর পুলিশ সাজু মিয়া (১৯) নামের অভিযুক্ত এক বখাটেকে সকাল ১১টার দিকে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে আটকে রাখে। এরপর বখাটের পরিবারের সঙ্গে দেনদরবার হওয়ায় সাড়ে ৪ ঘন্টা পর থানা হাজত থেকে চিহ্নিত ওই বখাটেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এনিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার রৌমারী থানায় ওই ঘটনা ঘটে।

এর আগে ওই দিন সকাল ৯টার দিকে স্কুলে যাতায়াতের পথে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে করে। এক পর্যায়ে রাস্তায় প্রকাশ্যে ওই স্কুল ছাত্রকে জড়িয়ে ধরে চুমু দেয় ওই বখাটে। এরপর স্কুল ছাত্রী স্কুলের প্রধান শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করে সাজু নামের ওই বখাটের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্ত বখাটেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামের মনতাজ আলীর পুত্র সাজু মিয়া দীর্ঘদিন থেকে ওই বখাটেপনা করে আসছে। তার দুই বন্ধুসহ স্কুলে যাতায়াতের পথে বসে থেকে স্কুল ছাত্রীদের উত্যেক্ত করে। এ বিষয়ে স্কুল ছাত্রীর পরিবারের পড়্গ থেকে বখাটের অভিভাবকের কাছে নালিশ করলে ওই বখাটে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং শনিবার ওই ঘটনা ঘটায়।

রৌমারী জেনুইন রেসিডেন্সিয়াল কির্ন্ডা গার্ডেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাহেব আলী জানান, বখাটেদের উত্যক্তের শিকার ওই স্কুল ছাত্রী আমার স্কুলে ৮ম শ্রেণিতে পড়ে। ওই বখাটেরা আমার স্কুলের অন্য মেয়েদেরও উত্যক্ত করে। বিষয়টি থানা পুলিশকে লিখিত ভাবে জানানোর পুলিশ বখাটেকে ঠিকই ধলে আনল কিন্তু রহস্যজনক কারনে আবার ছেড়ে দিল। নির্যাতিত স্কুল ছাত্রীর বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিচার চাইলাম থানায় আর পুলিশ পাঠিয়ে দিল বাড়িতে। বলল স্থানীয় ভাবে মিমাংশ করেন।’

বখাটেকে গ্রেপ্তারের পর থানা থেকে কেন ছেড়ে দেয়া হলো-এমন বিষয়ে জানতে চাইলে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত্ম) মো. রুহানী বলেন, ‘ছেলে আর মেয়ে পক্ষ আমার কাছে লিখিত দিয়েছে যে তারা স্থানীয় ভাবে বসে মিমাংশা করবে। এ কারনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’ উত্যক্তের অভিযুক্তের বিরম্নদ্ধে স্থানীয় ভাবে বিচার করা যায় কিনা-এমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সমস্যা নেই। মিমাংশা না হলে মামলা রেকর্ট করা হবে।’