মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, রাত ১০:২১

ঢাকায় স্ল্যাশ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটর

Published : 2017-07-14 22:20:00, Count : 113
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ প্রযুক্তি ইভেন্ট ‘স্ল্যাশ-২০১৭ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটর’-এ দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে অনুষ্ঠিতব্য এই ইভেন্টে অংশ নিয়ে বিশ্বের বড় বড় অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প হিসেবে তুলে ধরতে পারবেন প্রতিযোগিরা। সেখান থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকল্প পছন্দ হলে মিলতে পারে অর্থায়ন।
এম-ল্যাব, স্ল্যাশ এবং ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আগামী ১৫ আগস্ট ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘স্ল্যাশ ২০১৭ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটর’ শীর্ষক ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা। বৈশ্বিক এই বড় আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের দায়িত্ব পেয়েছে এমসিসি লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এম-ল্যাব। এই আয়োজনে স্পন্সর হিসেবে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে হোয়াইট বোর্ড।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন নিবন্ধন ২৬ জুলাই পর্যন্ত। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ আগস্ট স্ল্যাশ-জিআইএ পিচিং কম্পিটিশন অনুষ্ঠান হবে এবং ১২ আগস্ট সেখানে শীর্ষ ১০ প্রতিযোগী নির্বাচন করা হবে। অনুষ্ঠান থেকে প্রযুক্তিবোদ্ধা জুরি বোর্ড সদস্যরা আগামী ১৫ আগস্ট স্ল্যাশ গ্লোবাল ইভেন্টে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে থেকে সাক্ষাত্কারের ভিত্তিতে একটিকে সেরা হিসেবে মনোনীত করা হবে। চূড়ান্ত একজন বিজয়ী হেলসিংকিতে গ্লোবাল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন। হেলসিংকিতে তাদের ইভেন্টে অংশগ্রহণের সব ব্যয় বহন করবে এম-ল্যাব। এম-ল্যাব জানিয়েছে, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে উদ্ভাবনী স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচিত করা হবে। বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলো আকর্ষণীয় পুরস্কারের পাশাপাশি ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ প্রযুক্তি প্লাটফর্মে নিজেদের উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পাবে। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিচের লিঙ্কে গিয়ে একটি ফরম পূরণ করতে হবে https://goo.gl/Qf5MHX এই ঠিকানায়।
প্রসঙ্গত. এ বছর ১০০টির বেশি দেশ থেকে হেলসিংকিতে ১৫ হাজার দর্শনার্থী স্ল্যাশ গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট এক্সিলারেটরে অংশ নেবে। বাংলাদেশ থেকে গত বছর স্ল্যাশ গ্লোবাল ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য বিজয়ী হয়েছিল ‘এরএক্স৭১ লিমিটেড’ এবং ‘টেন মিনিট স্কুল’ নামে দুটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। বাংলাদেশে মোট ৭৭ জনের মধ্যে থেকে জুরি বোর্ড কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য তিনজনকে এবং সেখান থেকে স্ল্যাশ কর্তৃপক্ষ দুজনকে মনোনীত করেছিল।