শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭, 11:34
সবজির দাম বেশি কমলে কৃষকের ক্ষতি
Published : Thursday, 12 January, 2017 at 12:00 AM, Count : 38
ড. মো. হুমায়ুন কবীর: আমি নিজের বাজার সবসময়ই নিজে করে খাওয়ার চেষ্টা করি। সেজন্য যারা নিজের বাজার নিজেরা করে খেতে পারেন না, তাদের চেয়ে আমার অভিজ্ঞতা একটু বেশি বলেই দাবি করছি। তবে আমার দলে আছেন, এমন মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়, যারা আমার মতো বাজার করে খান। সেজন্যই বাজার করতে গেলে কিছু অভিজ্ঞতা সঞ্চিত হয়। অপরদিকে শাকসবজি উত্পাদন হয়, এমন গ্রামাঞ্চলে যারা এ শীতে বেড়াতে যান তাদেরও কিছু অভিজ্ঞতা রয়েছে নিশ্চয়ই। কারণ এ মৌসুমে গ্রামে-গঞ্জে ভ্রমণে থাকলে চলতে চলতে রাস্তার পাশে দেখা যাবে অনেক বাজার বসেছে। সেই বাজার হল তরতাজা শাকসবজির বাজার। চলার পথে কেউ যদি গাড়িতে বসে দেখেন, তাজা শাকসবজি একেবারে তাকিয়ে রয়েছে। তখনই গাড়ি থেকে নেমে কিছু সবজি কিনে নিয়ে দেখবেন, তা ঢাকা শহরের সেই কাঁচাবাজার হতে কত কম দামে পেয়েছেন! আমার নিজের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার সবজি উত্পাদনকারী এলাকায় হওয়াতে আমাদের নিজেদের জমিতে যে সবজি উত্পাদন হয় তা তারা যে দামে বিক্রি করে, আমি নিজে শহরে থাকার কারণে সেই সবজিই হয়তো কয়েকগুণ বেশি দামে কিনে খেতে হচ্ছে। অথচ আমরা শহরে বসে এত বেশি দামে কিনি বলে সেটা আবার পুরোটা কৃষক পায় না। চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের লাভের খাতায়। সেজন্যই প্রতি মৌসুমেই শাকসবজির দাম নিয়ে আলোচনার বিষয়টি গণমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলে দিতে দেখা যায়। কোন সবজির দাম বেশি, আবার কোন সবজির দাম কম ইত্যাদি ইত্যাদি।
তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় পরিষ্কার যে মৌসুমের শুরুতে উত্পাদন কম হওয়ায় সরবরাহ কম থাকে। সেজন্য দামও কিছুটা বেশি থাকে বাজারে। অপরদিকে মৌসুমের সময় যতই গড়াতে থাকে, তখন বাড়তে থাকে উত্পাদন, সেইসঙ্গে কমতে থাকে শাকসবজির বাজারমূল্য। এ যেন খুবই সহজ অঙ্ক ও অর্থনীতির একটি হিসাব-নিকাশ। কারণ অর্থনীতির ভাষায় দ্রব্যের চাহিদা বেশি থাকলে, যদি উত্পাদন কম হয় তাহলে দাম বেশি থাকে, আবার অপরপক্ষে উল্টোটি হল উত্পাদন বেশি হলে সরবরাহ বেশি হয়। তখন বাজারে সেই পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় এর বাজারমূল্যও কমে যায়।
শাকসবজির ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হল এর পচনশীলতা। কারণ তাজা শাকসবজি পচনশীল একটি কৃষিপণ্য। একে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সহজে বেশিদিন গুদামজাত করে সংরক্ষণ করা যায় না। কাজেই এর বাজারমূল্যের সঙ্গে সরাসরি উত্পাদক হিসেবে কৃষকের লাভ-ক্ষতির বিষয়টি জড়িত। কৃষক তার উত্পাদিত শাকসবজি সঠিক সময়ে বিক্রি করতে না পারলে একদিকে তা পচে নষ্ট হয়, অপরদিকে কম মূল্যের কারণে উত্পাদন খরচই উঠে না। ফলে কৃষক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। স্বাভাবিকভাবে কোনো একটি কৃষিপণ্যের বাজারমূল্য বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। কৃষি অর্থনীতির ভাষায় একে মার্কেট চেইন বলা হয়ে থাকে। কোনো একটি সবজি, ধরা যাক ফুলকপি উত্পাদনের ক্ষেত্রে যদি উদাহরণ দিই তাহলে অনেকটা পরিষ্কার হতে পারে। ফুলকপি আবাদের
জন্য প্রথমেই প্রয়োজন এর একটি উপযুক্ত জমি নির্বাচন করে সময়মতো তা প্রস্তুত করা। কারণ সব ধরনের মাটিতে কিংবা জমিতে ফুলকপি উত্পাদন করা
যাবে না। ফুলকপি চাষের জমি হতে হবে বেলে, দো-আঁশ থেকে এঁটেল, দো-আঁশ এবং স্বাভাবিকের
চেয়ে একটু উঁচু প্রকৃতির। যাতে সহজেই বৃষ্টি কিংবা সেচের পানি আটকে না থাকে। তারপর কৃষককে
সেই জমিটি ভালোভাবে চাষ-মই দিয়ে প্রস্তুত করতে হবে। এরপর প্রয়োজন হয় ফুলকপির উন্নতমানের বীজের।
আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, ফুলকপির বীজ মানেই উফশী এবং তার সবটুকুই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কারণ ফুলকপির বীজ উত্পাদন করতে হলে এর পরিপক্ব হওয়ার সময়ে যে আবহাওয়া বিরাজমান থাকার প্রয়োজন তা আমাদের দেশে সেসময় বিদ্যমান থাকে না। সেজন্য প্রতি বছরই কৃষককে চড়া ও উচ্চমূল্যে ফুলকপির বীজ আমদানিকারকদের কাছ থেকে কিনতে হয়। তারপর জমি চাষ, বীজতলা তৈরি, ভালোভাবে চারা উত্পাদন, জমিতে চারা রোপণ, সার প্রয়োগ, কীটনাশক প্রয়োগ, আন্তঃপরিচর্যা, সেচ, রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন, সবজি ফসল উত্তোলন, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি প্রতিটি কাজের সঙ্গে হয় কৃষক নিজেকে, নয়তো ক্রয়কৃত শ্রমিকের মাধ্যমে পারিশ্রমিক হিসেবে তাকে মূল্য পরিশোধ করতে হয়। এর প্রত্যেকটি খরচ কৃষকের ফুলকপি উত্পাদন খরচের সঙ্গে যুক্ত হতে বাধ্য। এর ভেতর ফুলকপি উত্পাদনের জন্য যে তিন মাসাধিক সময়ের প্রয়োজন হয় এবং সেখানে কৃষক নিজে যে তার জমিতে কাজ করে সেটাকেও শ্রমমূল্য হিসেবে ধরতে হয়। এসবের ভেতরে তো আবার বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মহামারী রয়েছেই। এত পরিশ্রম ও বিনিয়োগের মাধ্যমে উত্পাদিত একটি ফুলকপির উত্পাদন খরচই পড়ে যায় কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ টাকা। মৌসুমের শুরুর দিকে একটি ফুলকপির মূল্য যদিও ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে দেখা যায়, কিন্তু সময় যত গড়িয়ে যেতে থাকে ততই সেসব ফুলকপি প্রতিটির মূল্য কমতে কমতে তা ৫ থেকে ১০ টাকায় এসে ঠেকে যায়। আর মার্কেট চেইনের ফলে ঢাকা শহরের কোনো একটি কাঁচাবাজারে একটি কপি পৌঁছাতে পরিবহন, ব্যাপারী ও ফড়িয়াদের হাতবদল হয়। এতে ভোক্তা সবজি পণ্যটি বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে কিনলেও কৃষক সেটির মূল্য খুব কমই পায়। সেই চেইনের মধ্যে এত বিস্তর ফারাক যে তা কল্পনাও করা যায় না। ফুলকপি উত্পাদনের স্থানে মৌসুমের শেষের দিকে এমনও দেখা যে একেকটি ফুলকপি কৃষক দুই টাকাতেও বিক্রি করতে পারে না। তখনই বিভিন্ন স্থানে কৃষক হতাশ হয়ে তাদের উত্পাদিত পণ্য রাস্তায় ফেলে দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ করতে দেখা যায়। অথচ সেই সময়েও ঢাকা শহরের কোনো একটি কাঁচাবাজারে সেই ফুলকপি প্রতিটি ২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। এখানে যদিও আমি শীতের একটি সবজি ফুলকপিকে আলোচনার সুবিধার্থে উদাহরণ হিসেবে নিলাম। কিন্তু এ মৌসুমের অন্যান্য শাকসবজির ক্ষেত্রেও একই চিত্র চোখে পড়ে। বাঁধাকপি, বেগুন, মুলা, গাজর, শালগম, লাউ, শিম, টমেটো ইত্যাদির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হতে দেখা যায়।
আগেই উল্লেখ করেছি, বাংলাদেশে সারা বছরই কিছু না কিছু শাকসবজি উত্পাদন হয়ে থাকে। তবে শীতকালে এর পরিমাণ ও সংখ্যা অনেক বেশি। এ সময় বাহারি ও সুস্বাদু শাকসবজিতে মাঠ ভরে ওঠে। পুষ্টি ও গুণগত মানের দিক দিয়ে শীতকালীন শাকসবজির খুব কদর রয়েছে সবার কাছে। কৃষি মেলা, কৃষিপ্রযুক্তি মেলা, বৃক্ষ মেলা, ফল মেলা ইত্যাদি বিভিন্ন নামে বিভিন্ন কৃষিপণ্যের মেলার প্রচলন থাকলেও সবজি মেলা শুরু হয়েছে গত বছর (২০১৬) থেকে। সারা বছরই দেশে কিছু না কিছু সবজি উত্পাদন হলেও সংখ্যা, পরিমাণ ও বিচিত্রতার ওপর ভিত্তি করে আমাদের দেশে শীতকালই শাকসবজির জন্য বেশি উপযুক্ত। শাকসবজির গুরুত্বের বিষয়টিকে সামনে রেখেই এবার (২০১৭) দ্বিতীয়বারের মতো
তিন দিনব্যাপী সবজি মেলা হয়েছে রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়িতে। ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এ মেলা চলেছে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষিবান্ধব সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় এ মেলাটির আয়োজন করেছে, যেখানে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান স্টল স্থাপন করে তাদের উত্পাদিত বিভিন্ন সবজি প্রদর্শন করেছে।
আমরা জানি, বাংলাদেশে কৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। বর্তমানে প্রায় আশি শতাংশেরও বেশি লোক আদি ও অকৃত্রিম এ পেশার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৭.৫ শতাংশ জড়িত রয়েছে কৃষি খাতে। একসময়ের তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদের বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দানাদার শস্য উত্পাদন প্রায় পৌনে চার কোটি টন। কৃষিতে প্রবৃদ্ধি প্রায় সাড়ে তিন শতাংশের বেশি, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান প্রায় ২৩ শতাংশ, দেশে ১৫০টি বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির উত্পাদন প্রায় দেড় কোটি টন, যা কি না বিশ্বে তৃতীয় স্থান দখল করেছে। শুধু শাকসবজি উত্পাদনের আওতায় জমাজমির পরিমাণ প্রায় সাড়ে আট লাখ হেক্টর। কৃষির উপখাত হিসেবে স্বাদু পানির মত্স্য উত্পাদনেও বিশ্বে বাংলাদেশ চতুর্থ অবস্থানে। শুধু তাই নয়, এখন এসব উত্পাদিত পণ্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিদেশে রফতানি হচ্ছে। গত অর্থবছরে (২০১৫-১৬) এক লাখ টন আলু এবং ৩৮ হাজার টন শাকসবজি বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হয়েছে। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক গড়ে ২২০ গ্রাম শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, আমরা খেতে পারছি মাত্র ৭০ গ্রাম। অন্যান্য ফসলের চেয়ে শাকসবজি চাষে অনেক বেশি আর্থিক লাভ। গবেষণায় দেখা গেছে, ধান চাষের চেয়ে শাকসবজি উত্পাদনে প্রায় সাড়ে তিনগুণ বেশি লাভ করা যায়। ন্যায্যমূল্যে উন্নত বীজ, সার, সেচ, আধুনিক প্রযুক্তির কৃষি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালসহ সব কৃষি উপকরণে সরকারের সরাসরি ২০ শতাংশ প্রণোদনা ও ভর্তুকি দেওয়ার কারণে কৃষিসহ সবজি চাষের জমি ও উত্পাদন দুটিই সমানতালে বেড়ে যাচ্ছে। সার্বিক বিচারে দেশের কৃষিজমি দিন দিন কমে যাচ্ছে। শত বাধা ও সমালোচনা সত্ত্বেও দেশের উত্পাদন বৃদ্ধির কথা চিন্তা করে সরকার সবজি উত্পাদনের নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। সেখানে বায়ো-টেকনোলজিক্যাল (বিটি) বেগুন, জেনেটিক্যালি মডিফাইড (জিএম) প্রযুক্তির উন্নত বীজ এবং উচ্চ ফলনশীল (উফশী) হিসেবে পরিচিত হাইব্রিড প্রযুক্তি ব্যবহার করে আজকে সবজি চাষ ও উত্পাদনে এ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। অথচ সমালোচনা মেনে বসে থাকলে আজকে হয়তো এমন সাফল্য আসত না। কৃষির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় এখন ধান উত্পাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে চতুর্থ, যা সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে।
এখন প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে সবজি উত্পাদনের নির্ধারিত মৌসুম বলতে কিছু নেই। সব সবজিই এখন সব মৌসুমে কমবেশি উত্পাদন করা সম্ভব। একসময় শুধু শীতকালে উত্পাদন হতো এমন সবজি যেমন বেগুন, টমেটো, লাউ, গাজর, ফুলকপি, বাধাকপি ইত্যাদি যেমন সারাবছরই আবাদ হচ্ছে। অপরদিকে শুধু গ্রীষ্মকালে উত্পাদিত হতো এমন কিছু সবজি যেমন পটোল, ঢেঁড়শ, মিষ্টিকুমড়া, করলা, বেগুন ইত্যাদির এখন বছরজুড়েই আবাদ হতে দেখা যায়। যে কারণে এখন সারাবছরই সব ধরনের শাকসবজি বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো উত্পাদন করে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকবৃন্দ তাদের নিজেদের দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে মোট দেশজ উত্পাদন বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এসব ক্ষেত্রে রয়েছে বর্তমান কৃষি ও পরিবেশবান্ধব সরকারের প্রত্যক্ষ ও সরাসরি উদ্যোগ এবং প্রণোদনামূলক জনবান্ধব কৃষিনীতি। কাজেই এসব মেলার মাধ্যমেও প্রকৃত অর্থে শাকসবজি উত্পাদনে কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সেদিকে নজর দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমরা বাজারে গেলে শুধু বলি এই পণ্যের মূল্য বেশি, ওই পণ্যের মূল্য বেশি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড পরিমাণ মূল্য না থাকলে, শুধু মূল্য কমালে দেশের কৃষিপণ্যের উত্পাদক হিসেবে কৃষককুল আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তারা আমাদের জন্য মূল্যবান পণ্য উত্পাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। প্রকারান্তরে যা আমাদের জাতীয় সমস্যা হিসেবেই দেখা দেবে। কাজেই সবকিছুর একটি সুসামঞ্জস্য ও সমতা থাকা বাঞ্ছনীয়।  
     
লেখক : কৃষিবিদ ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
hkabirfmo@yahoo.com


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : কমলেশ রায়
প্রকাশক রোমো রউফ চৌধুরী কর্তৃক সকালের খবর ভবন (৮ম ও ৯ম তলা), ২৫ কমরেড মনি সিংহ সড়ক (৬৮ পুরানা পল্টন), ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত।, দৈনিক সকালের খবর পাবলিকেশনস লিমিটেড, ১৫৩/৭ তেজগাঁও বা/এ, ঢাকা-১২০৮ হতে মুদ্রিত, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক দফতর : ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক সকালের খবর, ২০১৬
ফোন : +৮৮-০২-৮১৭০৫৬৮-৭০, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৮১৭০৫৭২
ই-মেইল : Print : dsknews@shokalerkhabor.com, Online : onlinenews@shokalerkhabor.com