সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, 7:58
জামাতাকে উপদেষ্টা করায় তোপের মুখে ট্রাম্প
Published : Tuesday, 10 January, 2017 at 11:48 PM, Count : 166
সকালের খবর ডেস্ক: নিজের মেয়ের জামাই জ্যারেড কুশনারকে শীর্ষ উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। স্বজনপ্রীতি এবং স্বার্থজনিত দ্বন্দ্বের বিষয় মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তারা। অবশ্য কুশনারের আইনজীবীর দাবি, এ নিয়োগের মধ্য দিয়ে স্বজনপ্রীতিবিরোধী আইন লঙ্ঘন হবে না। বিবিসি, ওয়াশিংটন পোস্ট।
গত সোমবার নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে তার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে জামাতা জ্যারেড কুশনারকে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, নির্বাচনী প্রচারণাকালে ও ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে জ্যারেড নিজেকে মূল্যবান সম্পদ ও বিশ্বস্ত উপদেষ্টা হিসেবে প্রমাণ করেছেন এবং আমি আমার প্রশাসনে তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে পেয়ে গর্বিত।
অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ট্রাম্পকে বিভিন্ন বিষয়ে উপদেশ দেবেন ৩৫ বছর বয়সী কুশনার। ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকার স্বামী কুশনার একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। এছাড়াও তার বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে। নিউইয়র্কে ট্রাম্প টাওয়ারের কাছেই রয়েছে তার বহুতল ভবন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে কুশনার নিউইয়র্ক অবজারভার সংবাদপত্রটি কিনে নেন। ট্রাম্পের মুখপাত্র কেলিঅ্যান কোনওয়ে এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেছেন, এটি আজকের দিনের সবচেয়ে ভালো খবর।
গত নির্বাচনে ট্রাম্পের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নাম ঘোষণার পর থেকেই দেশটিতে তার ব্যাপারে গুরুতর আইনি ও নৈতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের একটি দল চাইছে, জ্যারেড কুশনারের নিয়োগের ব্যাপারে যে আইনি ইস্যুগুলো রয়েছে তা বিচার বিভাগ এবং গভর্নমেন্ট এথিকস কার্যালয় থেকে সূক্ষ্মভাবে খুঁটিয়ে দেখা হোক। এক চিঠিতে ডেমোক্র্যাট পার্লামেন্ট সদস্যরা এবং হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির সব সদস্য দাবি করেছেন এক্ষেত্রে ১৯৬৭ সালের স্বজনপ্রীতিবিরোধী আইনের আওতায় শক্ত একটি মামলা করা যেতে পারে। মার্কিন কংগ্রেস প্রণীত ওই আইন অনুযায়ী, আত্মীয়-স্বজনকে নিজের অধীনে কাজকর্মে নিয়োগে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাট সদস্যরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, হোয়াইট হাউসে শীর্ষ উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কুশনার কিছু ব্যক্তিগত সুবিধা নিতে পারেন। নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থের ক্ষেত্রে সুবিধা যেন হয়, সেভাবে নীতিমালাকে প্রভাবিত করতে পারেন তিনি।
কুশনারের আইনজীবী দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় নীতিগত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ব্যাপারে তার মক্কেল বদ্ধপরিকর এবং এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নিতে হবে তা নিয়ে অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিকসের সঙ্গে তিনি আলাপ করবেন। উপদেষ্টা পদের জন্য কুশনার পারিশ্রমিক নেবেন না বলেও জানিয়েছেন আইনজীবী।
ফেডারেল এথিকস আইন অনুসারে, কোনো ব্যবসা থেকে লভ্যাংশ ভোগকারী ব্যক্তি হোয়াইট হাউসে নিয়োগ পাবেন না। তবে কুশনারের আইনজীবী দাবি করেছেন তার মক্কেল নীতিগত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কুশনার তার পারিবারিক ব্যবসা এবং নিউইয়র্ক অবজারভারের প্রকাশকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেবেন।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : কমলেশ রায়
প্রকাশক রোমো রউফ চৌধুরী কর্তৃক সকালের খবর ভবন (৮ম ও ৯ম তলা), ২৫ কমরেড মনি সিংহ সড়ক (৬৮ পুরানা পল্টন), ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত।, দৈনিক সকালের খবর পাবলিকেশনস লিমিটেড, ১৫৩/৭ তেজগাঁও বা/এ, ঢাকা-১২০৮ হতে মুদ্রিত, সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক দফতর : ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক সকালের খবর, ২০১৬
ফোন : +৮৮-০২-৮১৭০৫৬৮-৭০, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৮১৭০৫৭২
ই-মেইল : Print : dsknews@shokalerkhabor.com, Online : onlinenews@shokalerkhabor.com